বন্যায় ভেসে গেছে চাষের মাছ, ফসলের ক্ষতি

উত্তরাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে, দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছেন বানভাসী মানুষ। উজানের পানির তোড়ে নদ-নদীর পানি অতিক্রম করেছে বিপদসীমা। বিভিন্ন জায়গায় বাঁধ ভেঙে আরো নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে।
কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র ও ধরলার পানি বেড়ে দুর্ভোগ বন্যা কবলিত এলাকার মানুষের। বিশুদ্ধ খাবার পানি ও খাবারের সংকট তীব্র হয়ে উঠছে। নওগাঁয় আত্রাই নদীর পৃথক ৯টি স্থানে বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ায় কমপক্ষে ৯টি ইউনিয়নের বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ রুপ আকার ধারন করেছে।
এসব এলাকার আউশ ধান এবং সদ্য রোপিত আমন ধানের ক্ষেত তলিয়ে গেছে। ভেসে গেছে অনেক পুকুরের চাষ করা মাছ। বাড়িঘরে পানি ঢুকে পড়ায় মানুষ রাস্তা এবং উঁচু স্থানে আশ্রয় নিয়েছেন। সিরাজগঞ্জের হার্ডপয়েন্টে এবং কাজিপুরে বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে যমুনা।
জেলার ৫ উপজেলার প্রায় ৩ লাখ মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। আগামী দুইদিনে পানি স্থিতিশীল হতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। জামালপুরের বাহাদুরাবাদ পয়েন্টেও যমুনার পানি বিপদসীমার উপরে।
এছাড়া ব্রহ্মপুত্র, ঝিনাই, দশআনী, জিঞ্জিরামসহ অন্যান্য শাখা নদীগুলোর পানি বাড়তে থাকায় জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অবনতি হয়েছে। তলিয়ে গেছে রাস্তাঘাট, পানিবন্দি হয়ে দুর্ভোগে কয়েক লাখ মানুষ।



