
করোনার কারণে টানা কয়েক মাস ধরে বন্ধ রাজধানীর বেশিরভাগ হোটেল রেস্তোরা। সীমিত আকারে যেগুলো চালু আছে, সেগুলোও প্রায় ক্রেতাশুন্য। ফলে প্রায়দিনই লোকসান গুনতে হচ্ছে মালিকদের।
এ অবস্থায়, খাতটিকে টিকিয়ে রাখতে সরকার ঘোষিত ঋণ কার্যক্রম ও হোটেল-রেস্টুরেন্ট কর্মচারীদের জন্য দ্রুত প্রণোদনা বাস্তবায়নের দাবি করেছেন তারা।
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণরোধে টানা তিন মাসের সাধারণ ছুটির আওতায় ছিল সারা দেশ। ছুটি শেষে সরকারি-বেসরকারি অফিসগুলো সীমিত পরিসরে খুললেও, এখনো বন্ধ রয়েছে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের অধিকাংশ হোটেল-রেস্তোরা। অল্প কিছু সংখ্যক খোলা থাকলেও, ক্রেতা নেই বললেই চলে। এ অবস্থা প্রায় সব রকমের খাবারের দোকানেই।
এর মধ্যেই কর্মচারীদের বেতন, গ্যাস-বিদ্যুৎ বিল ও নিয়মিত ভাড়া পরিশোধ করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে হোটেল-রেস্তোরা মালিকদের। তাই লাভের বদলে, দিন দিন ভারী হচ্ছে তাদের লোকসানের পাল্লা। সব মিলিয়ে, চোখে অন্ধকার দেখছেন হোটেল-রেস্তোরার মালিকরা।
বাংলাদেশ রেস্তোরা মালিক সমিতি বলছে, গত জানুয়ারি থেকেই তাদের বেচাকেনা ৯০ শতাংশ কমে গেছে। প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ঋণ সুবিধা দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে খাতটিকে টিকিয়ে রাখার আবেদন জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।



