
পটুয়াখালীতে করোনার প্রভাব পড়েছে হাস,মুরগি ও পাখি খামারীদের ওপর।টানা তিন মাসের লকডাউনে দ্বিগুন বেড়েছে খাদ্যের দাম।উৎপাদন খরচ বেশি হওয়ায় হাসের খাবার কিনতে হিমসিম খাচ্ছেন খামারীরা।ফলে, খাদ্যাভাবে প্রতিদিনই মারা যাচ্ছে খামারের হাস,মুরগি ও পাখি।করোনা সংকটে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সরকারী সহায়তা চেয়েছেন খামারীরা।পটুয়াখালীতে ছোট বড় সব মিলিয়ে হাস,মুরগি ও কোয়েল পাখির প্রায় দেড় হাজার খামার রয়েছে।অনেকে ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে শুরু করেছেন এসব খামার।তবে করোনার প্রভাব শুরু হওয়ার পর থেকে, প্রত্যেক খামারীর কপালে চিন্তার ভাজ পড়েছে।
লকডাউন শুরুর পর থেকে খাবারের দাম বেড়েছে দ্বিগুন।ফলে, প্রয়োজন অনুযায়ী খাদ্যের যোগান দিতে না পারায় খাদ্য সঙ্কটে দিনদিন কমতে থাকে ডিম উৎপাদন।এছাড়া, খাবার সঙ্কটে দুর্বল হয়ে মারা যাচ্ছে একের পর এক হাস,মুরগী ও কায়েল পাখি।ফলে, বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়েছেন খামারীরা।সঙ্কটময় এ সময়ে সরকারী সহযোগীতা চেয়েছেন খামারীরা।
সঙ্কট নিরসনে উর্দ্ধতন মহলে অনুদান দেয়ার ব্যাপারে সুপারিশ করা হবে বলে জানান,সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।দেশের পোল্ট্রি শিল্পড বাঁচাতে সরকার খামারীদের স্বল্প সুদে সহজ শর্তে ঋনের ব্যবস্থা করবে এমন দাবী খামারীদের।
বাংলাটিভি/দেশবাংলা



