মালয়েশিয়ায় জাল কাগজ বিক্রি বাংলাদেশীসহ ১৬ জন গ্রেফতার

মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ দূতাবাস বিশেষ ব্যবস্থায় গত দুই মাসে প্রায় ১৫ হাজার পাসপোর্ট বিতরণ করেছে। জুন থেকে জুলাই পর্যন্ত ডাকযোগে পাসপোর্টের আবেদন জমা পড়েছে, প্রায় ৩৫ হাজারের মতো। আগে যেখানে প্রতিদিন ৩ থেকে ৪শ পাসপোর্ট দেয়া হতো, বর্তমানে এ পরিস্থিতিতে মালয়েশিয়া সরকারের বেঁধে দেয়া, আরএমসিওর ঝুঁকির মধ্যেও, নিয়ম মেনে সীমিত থেকে ব্যাপক পরিসরে প্রতিদিন ৫ থেকে ৬শ জনকে সেবা দেয়া হচ্ছে।
গত ১৯ মে হাইকমিশনের ফেইসবুক পেইজে পাসপোর্ট বিতরণ সংক্রান্ত শর্তাবলী উল্লেখ করে, ডেপুটি হাইকমিশনার ও দূতালয় প্রধান ওয়াহিদা আহমেদ স্বাক্ষরিত বিশেষ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। তাতে হাইকমিশনে যাওয়ার সময় মাস্ক ও হ্যান্ড গ্লাভস পরিধান করা, সবক্ষেত্রে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ, আরও বিভিন্ন রকম শর্ত পালনে নির্দেশনা দেয়া হয়।
এসময় পাসপোর্ট নিতে আশা প্রবাসী বাংলাদেশীরা দূতাবাসের এমন কার্যক্রমকে স্বাগত জানান। নতুন পাসপোর্ট করতে আসা ব্যক্তিরা দূতাবাস থেকে এমন সেবা পেয়ে ধন্যবাদ জানান।
যারা হাইকমিশনে যেতে পারছেন না, তাদের প্রতিদিন ফোন কলের মাধ্যমে সেবা প্রদান করছেন, দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তবে, দূতাবাসের এ ধরনের কার্যক্রমকে অনেকে স্বাগত জানালেও, আবার অনেকেই এই নিয়ম কানুন না বুঝে, দূতাবাসকে দোষারোপ করছে।
পাসপোর্ট ও ভিসা শাখার প্রধান কাউন্সিলর মো. মশিউর রহমান তালুকদার বলেন, করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের প্রেক্ষিতে মালয়েশিয়া সরকার ব্যাপক জনসমাগমের ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখেছে। এ নিয়ম ভঙ্গ করা হলে সেদেশের সরকার তথা পুলিশ কর্তৃক আইনি পদক্ষেপ নেয়া হতে পারে।
বাংলাটিভি/শহীদ



