Uncategorizedআন্তর্জাতিকমধ্যপ্রাচ্য

লেবাননের বৈরুতজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ

লেবাননে বিস্ফোরনের ঘটনায় শনিবার আরো একজন বাংলাদেশি নিহত হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত নিহত বাংলাদেশীর সংখ্যা দাড়ালো ৫ জনে।  তাছাড়া শতাধিক বাংলাদেশি আহত হলেও তাদের মধ্যে অনেকেই প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে। তবে দূর্ঘটনায় আহত নৌবাহিনীর ২১ সদস্য সহ সকল বাংলাদেশি এখন শংকামুক্ত।

মঙ্গলবার বৈরুত বন্দরের একটি গুদামে অরক্ষিতভাবে রাখা বিস্ফোরক পদার্থের ভয়াবহ বিস্ফোরনে ক্ষতিগ্রস্থ কয়েক লাখ মানুষ।  কেউবা হারিয়েছেন স্বজন, কেউবা হারিয়েছেন জীবিকা।  ধ্বংস স্তুপে পরিনত হওয়া গোটা শহরকে সচলের চেষ্টা করছে সেনাবাহিনী।  লেবাননের সরকারী তথ্য বলছে আর্থি ক্ষয়ক্ষতি হযেছে প্রায় এক থেকে দেড় হাজার কোটি ডলার।  বাস্তুচিত প্রায় ৩ লাখ মানুষ। এ পর্যন্ত নিহত হয়েছে প্রায় ১৫৮ জন ও আহত হয়েছেন প্রায় ৬ হাজার মানুষ।

বিভীষিকাময় পরিস্থিতি থেকে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার চেষ্টা করছে বৈরুতবাসী।  কেউ কেউ ধ্বংসস্তুপের নীচে এখনো খুঁজে ফিরছেন হারানো সম্বলটুকু।  সেনাবাহিনীর উদ্যোগে চলছে শহরকে স্বাভাবিক করার পক্রিয়া।

বিস্ফোরনে আহত বাংলাদেশিদের অনেকেই বলেন, বিকট শব্দে কি হচ্ছে বা কি হতে যাচ্ছে কিছুই বুঝতে পারছিলাম না।  জীবনে এই প্রথম একটি বড় দূর্ঘটনা দেখলাম।

এদিকে, লেবাননে মঙ্গলবারের বিস্ফোরনের ঘটনায় শনিবার এম ডি রাশেদ নামে আরো একজন বাংলাদেশি নিহত হয়েছে।  নিহত বাংলাদেশির বাড়ি নারায়নগঞ্জের রসুলপুর গ্রামে।  বাবার নাম হাফিজুর রহমান। এ নিয়ে বিস্ফোরনে এখন পর্যন্ত ৫ বাংলাদেশি নিহত হয়েছে।  তাছাড়া শতাধিক বাংলাদেশি আহত হলেও তাদের মধ্যে অনেকেই প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেছে। আরো কয়েকজন বাংলাদেশি এখনো বৈরুতের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।  দূর্ঘটনায় আহত  নৌবাহিনীর ২১ সদস্য সহ সকল বাংলাদেশি এখন শংকামুক্ত বলে জানা গেছে।

এদিকে, বৈরুত বন্দরে ভয়াবহ বিস্ফোরনে ঘটনায় শনিবার পার্লামেন্ট সহ এর আশেপাশে ব্যপক বিক্ষোভে একজন পুলিশ সদস্য নিহত ও ১৭৪ জন বিক্ষোভকারী আহত হযেছে।  দূর্ঘটনার জন্য সরকার ও প্রশাসনকে দায়ী করেন বিক্ষোভকারীরা।   অভিযোগ করেন সরকারের অনিয়ম ও দুর্নীতির কারনেই এমন ঘটনা ঘটেছে।বিধ্বস্ত বন্দর সহ আশে পাশে এখনো চলছে উদ্ধারকাজ।

বাংলাটিভি/শহীদ

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button