এখনো বিপদসীমার ওপর ৬ নদীর পানি

দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলের জেলাগুলোতে নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। এখনো বিপদসীমার ওপর ৬ নদীর পানি। এছাড়া, পানি কমতে থাকায় তীব্র ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে পদ্মা, মেঘনা ও ধলেশ্বরী নদীতীরবর্তী গ্রামগুলোতে।
কুড়িগ্রামে বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর উজানের ঢলে আবারো বাড়তে শুরু করেছে ধরলার পানি। এ অবস্থায় নতুন করে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন নদী পাড়ের মানুষ। অন্যদিকে ঘর-বাড়ি থেকে বন্যার পানি নেমে গেলেও, দুর্ভোগে রয়েছেন বন্যা দুর্গতরা।
এদিকে,সিরাজগঞ্জে চতুর্থদফায় বাড়ছে যমুনা নদীর পানি। গত ১২ ঘন্টায় বৃদ্ধি পেয়েছে ৯ সেন্টিমিটার। আগামী ১৬ আগস্ট পর্যন্ত পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে, বন্যা পুর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। এদিকে, বাড়ি থেকে পানি নেমে গেলেও কাজে ফিরতে পারছেনা নিম্ন আয়ের শ্রমজীবি মানুষ।
করোনার প্রাদুর্ভাবে লকডাউনে থাকার কিছুদিনের মধ্যেই আবার দীর্ঘমেয়াদী বন্যা। এই দুই মিলে কাজ-কর্ম করতে না পারায় এই কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি বানভাসিরা। জেলার অভ্যন্তরীণ নদ-নদী ও নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতার কারণে এখনো ৭ উপজেলার নিম্নাঞ্চলে পানিবন্দী বহু মানুষ।
এবারের দীর্ঘমেয়াদী বন্যায় প্রায় ২৭ হাজার হেক্টর ফসলি জমি তলিয়ে গেছে। অন্যদিকে, ধীরগতিতে কমতে শুরু করেছে, মুন্সীগঞ্জের বন্যার পানি। সকালে জেলার ভাগ্যকুল পয়েন্টে পদ্মা নদীর পানি কমে বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার এবং মাওয়া পয়েন্টে, ১১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে।



