
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়েই (বিএসএমএমইউ) আবারও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত করোনা অ্যান্টিবডি কিটের তুলনামূলক এক্সটারনাল ভেলিডেশন (Comparative External Validation) পরীক্ষা করা হবে বলে জানা গেছে।
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তারা কিটের মান উন্নয়নের জন্য রি-এজেন্ট বা মালামাল আমদানির এনওসি (নো অবজেকশন সার্টিফিকেট) পেয়েছেন। এখন মালামাল এলেই তারা কাজ শুরু করবেন।
এরপর আবারও বিএসএমএমইউতে কিটের এক্সটারনাল ভেলিডেশন পরীক্ষা করানো হবে। এজন্য আবারও গণস্বাস্থ্যের বাড়তি ২০ থেকে ৩০ লাখ টাকা খরচ হবে। একইসঙ্গে ২ মাসের বেশি সময়ও লাগবে।
এর আগে গত ১৬ জুন বিএসএমএমইউ গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের অ্যান্টিবডি কিটের পরীক্ষা করে সুনির্দিষ্ট সুপারিশসহ রিপোর্ট জমা দেন ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরে। কিন্তু কিটের সেন্সেটিভিটি ৯০ শতাংশের নিচে হওয়ায় কিটের নিবন্ধনের অনুমতি দেওয়া হয়নি।
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কিটের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, র্যাপিড অ্যান্টিবডি কিটের যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ প্রশাসনের (এফডিএ) আমব্রেলা গাইডলাইন অনুসরণ করে এক্সটারনাল ভ্যালিডেশন করতে যে প্রক্রিয়া করার কথা, ঔষধ প্রশাসন বলছে তার কোনও ফ্যাসিলিটি বর্তমানে বাংলাদেশে নেই।
দেশে সেই প্রক্রিয়া স্থাপন করে পরীক্ষা করতে কমপক্ষে দুই মাস লাগবে। এতে বাড়তি ২৫ থেকে ৩০ লাখ টাকা খরচ হবে গণস্বাস্থ্যের।



