
করোনা আতঙ্ক, কর্মহীন জীবন আর অর্থাভাব নিয়ে দিশেহারা রাজধানীর বিভিন্ন শ্রেণিপেশার নিম্নআয়ের মানুষেরা। অনেকের চাকরি নেই, অনেকের আবার কমে গেছে বেতন। তারপরও বাসা ভাড়ার টাকা গুনতে হচ্ছে সময়মত। এমন পরিস্থিতিতে, বাসা ভাড়া সমন্বয়ে সরকারের পদক্ষেপ চেয়েছেন তারা।
আর, পরিস্থিতি বিবেচনায় একে জরুরী বলে মনে করছেন কনজুমার এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এর উপদেষ্টা অধ্যাপক শামসুল আলম। এমন অবস্থায়, বাসা ভাড়ার সমন্বয়কে জরুরী বলে মনে করছেন এই উপদেষ্টা।
সারাবিশ্বে চলছে মহামারি করোনাভাইরাস আতংক। এর প্রেক্ষিতে দেশের অর্থনীতিতে শুরু হয়েছে নানা টানাপোড়েন। ফলে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন অনেক মানুষ। মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো এই চাপ কিছুটা সামলে নিলেও, বাসা ভাড়া আর নিত্যপণ্যের উর্ধ্বমূল্যে বিপাকে পড়েছে নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো।
নিম্ন ও মধ্যবিত্ত অনেক পরিবারই দৈনিক আয়ের ওপর নির্ভরশীল। তাই, কাজের পরিধি কমে যাওয়ায় অনেকটা কষ্টে রাজধানীতে বাস করছেন তারা। অনেকে হারিয়েছেন চাকরি, অনেক কর্মস্থল কমিয়ে দিয়েছে বেতন। তাই জীবন জীবিকায় ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছে অনেক পরিবার।
বাসা ভাড়া সমন্বয়ক করে ভাড়াটিয়াদের সচ্ছল জীবন যাপনের সুযোগ না দিলে, দেশের অর্থনীতিতে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলেও মত বিশিষ্টজনদের।
বুলবুল আহমেদ, বাংলা টিভি



