দেশবাংলা

বাউফলে ৮ ডায়াগনস্টিক ও ২ প্যাথলজি বন্ধের নির্দেশ

চিকিৎসক উপস্থিত না থাকা, বৈধ লাইসেন্স ও লাইসেন্সের মেয়াদোউত্তীর্ণ হয়ে যাওয়া, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ, অপ্রতুল যন্ত্রপাতি ও অপরিসর জায়গার কারণে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ৮টি ডায়াগনষ্টিক সেন্টার ও ২টি প্যাথলজি বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন জেলা সিভিল সার্জন অফিস।

গত ২৪ আগষ্ট পটুয়াখালী জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে স্মারক নং: সিএ/ পটুয়া/ কিল:ডায়া:/ পরিদর্শন/ ২০২০/ ২৩১৭ চিঠিতে ওই মোট ১০টি প্রতিষ্ঠান বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়। বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা চিঠির পাওয়ার সত্যতা স্বিকার করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত ২২ আগস্ট জেলা সিভিল সার্জন কর্তৃক গঠিত একটি টীম বাউফলের প্রায় দুই ডজন ডায়াগনোস্টিক সেন্টার পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনের সময় কোন চিকিৎসক উপস্থিত না পাওয়া, বিধি বর্হিতভুত ভাবে রোগীর প্যাথলজি রিপোর্টে চিকিৎসকের সাক্ষর না দিয়ে এমটি (ল্যাব) সাক্ষর করেন, প্যাথলজি বিভাগ ও এক্সরে কক্ষ মান সম্মত না থাকার কারনে পৌর শহরের হাসপাতাল সড়কের ইসেব ডায়াগনষ্টিক সেন্টার কার্যক্রম বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন।

অপরদিকে, বিধি বহির্ভুত ভাবে লাইসেন্স ও লাইসেন্সের মেয়াদোউত্তীর্ণ হয়ে যাওয়া কালিশুরী বাজারের মেডিকেয়ার ডায়াগনোস্টিক, নওমালা বাজারের নগরেরহাট ডায়াগনোস্টিক এন্ড কলসালটেশন, আদাবাড়িয়ার কাশিপুর বাজারের নিউ কাশিপুর ডায়াগনোস্টিক সেন্টার, কনকদিয়া বাজারের কনকদিয়া প্যাথলজি সেন্টার, সূর্যমণির নূরাইনপুর বাজারের নিউ লাইফ হেলথ কেয়ার ডায়াগনোস্টিক সেন্টার এবং কালাইয়া বন্দরের নূহা ডায়াগনোস্টিক সেন্টার বন্ধের সুপারিশ করেন।

অপরিসর জায়গা, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ, অপ্রতুল যন্ত্রপাতি ও প্যাথলজি বিভাগ মানসম্মত না হওয়ায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গেটের সামনে অবস্থিত সেবা ও কথামনি ডায়াগনোস্টিক সেন্টার সাময়িক বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন।

জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম সুপন বলেন, বাউফলের এই ১০টি প্রতিষ্ঠানে পরিদর্শনের কালে যে সকল অসংগতি দেখা গেছে, তা উল্লেখ করে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। যার অনুলিপি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে দেওয়া হয়েছে।

বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. প্রশান্ত কুমার সাহা চিঠি পাওয়ার বিষয়ে সত্যতা স্বিকার করে বলেন, যে দশটি প্রতিষ্ঠানকে যে সকল অসংগতির বিষয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে, ওই সকল প্রতিষ্ঠান তাদের অসংগতি গুলো সংশোধন করলেই তাদের প্রতিষ্ঠান পূনরায় কার্যক্রম শুরু করতে পারবেন।

কৃষ্ণ কর্মকার, বাউফল প্রতিনিধি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button