অন্যান্যবাংলাদেশ

সেন্টমার্টিনের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় পর্যটক নিয়ন্ত্রণ

পর্যটক নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে, প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিনের জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ রক্ষা পাবে বলে মনে করছেন, পর্যটকরা। তবে, এর ফলে স্থানীয় বাসিন্দা ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা জীবিকা হারাবেন বলে মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা। এ খাতে হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ হুমকির মুখে পড়বে বলেও তাদের আশঙ্কা।

অপূর্ব প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত সেন্টমার্টিন, বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ। কক্সবাজার জেলা শহর থেকে ১২০ কিলোমিটার দূরে ১৭ বর্গ কিলোমিটারের একটি ক্ষুদ্র দ্বীপ। স্থানীয় ভাষায় সেন্টমার্টিনকে নারিকেল জিঞ্জিরা বলেও ডাকা হয়।

সেন্টমার্টিনের যেদিকে চোখ যায় শুধু নীল আর নীল। আকাশ আর সমুদ্রের নীল সেখানে যেন মিলেমিশে একাকার। দ্বীপের প্রতিটি অংশেই রয়েছে নানা সৌন্দর্য। আর সে কারণেই দেশের ভ্রমণপ্রিয় মানুষের অন্যতম পছন্দের গন্তব্য সেন্টমার্টিন।

তবে বিপুলসংখ্যক পর্যটকের যাতায়াতকে দ্বীপটির অস্তিত্বের জন্য মারাত্মক হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করেছে সরকার। আর সে কারণেই দ্বীপটির জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সেখানে পর্যটক নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আসছে ডিসেম্বর থেকে দ্বীপটিতে দিনে ১ হাজার ২৫০ জনের বেশি পর্যটক যেতে পারবেন না।

যাঁরা যাবেন, তাঁদেরকে অ্যাপে নিবন্ধন করতে হবে। আর এ উদ্যেগকে ইতিবাচকভাবেই দেখছেন বেশিরভাগ পর্যটক। তবে দ্বীপকে ঘিরে পর্যটন সেবা দিয়ে আসা স্থানীয় বাসিন্দা ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা বলছেন, সেন্টমার্টিনে পর্যটক সীমিতকরণ ও রাতযাপন নিষিদ্ধের এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে জীবিকা হারাবেন তাদের অনেকেই।

খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এর ফলে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হবে পর্যটনশিল্প ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসা। এ ছাড়া, বিভিন্ন উদ্যোক্তার হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগও ঝুঁকিতে পড়বে।

এ অবস্থায়, সরকারের সিদ্ধান্তকে পর্যটনবিরোধী- উল্লেখ করে, তা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন পর্যটন সংশ্লিষ্টরা।

আসাদ রিয়েল, বাংলা টিভি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button