অন্যান্যবাংলাদেশ

মাধ্যমিক পর্যন্ত বিভাজন না রাখার পরিকল্পনা

প্রাক্-প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত পাল্টে যাচ্ছে দেশের শিক্ষাক্রম। ২০২২ সাল থেকে নবম-দশম শ্রেণিতে কোনো বিভাগ বিভাজন ছাড়াই গুচ্ছভিত্তিক কারিকুলামে চালু হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম। একজন শিক্ষার্থী বিজ্ঞান, মানবিক নাকি ব্যবসায় শিক্ষায় পড়বে সেটি ঠিক হবে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে। নতুন এ কারিকুলামকে স্বাগত জানিয়েছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী-অভিভাবকরা।

২০১২-এর কারিকুলাম অনুযায়ী চলছে বর্তমান শিক্ষাক্রম। যাতে নবম শ্রেণি থেকে বিজ্ঞান, মানবিক ও বাণিজ্য এই তিন বিভাগে ভাগ হয়ে যায় শিক্ষার্থীরা। এর পক্ষে-বিপক্ষে রয়েছে নানা মত। আর এ জন্য ২০১৭ সাল থেকে নতুন শিক্ষাক্রম প্রণয়নে কাজ শুরু করে সরকার।

বৃহস্পতিবার (১৯ নভেম্বর) //সম্প্রতি একাদশ সংসদের বিশেষ অধিবেশনে নতুন শিক্ষাক্রমের বিষয়ে জানান শিক্ষামন্ত্রী ডাক্তার দীপু মণি। তিনি বলেন, প্রাক্-প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত শিক্ষাক্রমে বড় পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) জানায়, শিক্ষার্থীরা যেমনটি অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত সব বিষয়ই পড়ে- আগামীতে, নবম-দশম শ্রেণি পর্যন্ত ঠিক সেভাবেই পড়বে। তবে একাদশ থেকে শুরু হবে বিভাজন। এতে মাধ্যমিক স্তরে সব বিষয়ে জ্ঞান লাভের সুযোগ পাবে শিক্ষার্থীরা।

এনসিটিবি’র চেয়ারম্যান বলেন, ২০২২ সাল থেকে নতুন কারিকুলাম কার্যকর হবে। এতে আরও মজবুত হবে শিক্ষার্থীদের ভিত। আার একে সাধুবাদ জানিয়ে, এর মাধ্যমে শিক্ষাব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে মনে করছে অভিভাবক ঐক্য ফোরাম।

এ পদ্ধতিতে সার্বিক বিষয়ের ওপর শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বাড়বে বলে মনে করেন অভিভাবকরাও। আর, এ নিয়ে রীতিমত উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা। নতুন রূপরেখায় শিক্ষার্থীদের ওপর চাপ কমবে এমন প্রত্যাশায় বিষয় নির্বাচন ও সবার জন্য বোধগম্য বই প্রণয়নের দিকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়ার কথাও বলছেন তারা।

নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নে ধারাবাহিক মূল্যায়নই হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। আর এ জন্য শিক্ষকদের আরও যোগ্য করে তোলার পাশাপাশি, বাড়াতে হবে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা।

হাকিম মোড়ল, বাংলা টিভি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button