
৭ ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী শুরু হবে করোনার টিকা প্রয়োগ। এরইমধ্যে সব জেলায় পৌঁছে গেছে ভ্যাকসিন। টিকা কার্যক্রম চালাতে প্রস্তুত রাজধানীর হাসপাতালগুলোও। তবে এখনও পর্যন্ত টিকা দেয়ার বিষয়ে খুব একটা সাড়া পড়েনি সাধারণ মানুষের মাঝে। বৃহত্তর পরিসরে টিকাদান সফল করতে ক্যাম্পেইন জোরদার করে জনগণকে সম্পৃক্ত করার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।
২৭ জানুয়ারি কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে করোনার টিকা প্রয়োগের উদ্বোধন করেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরদিন রাজধানীর ৫ হাসপাতালের স্বাস্থ্যকর্মীসহ বিভিন্ন সেক্টরের ৫ শতাধিক ফ্রন্টলাইনারকে প্রয়োগ করা হয় করোনার টিকা।
তাদের পর্যবেক্ষণের পর, এ পর্যায়ে ৭ ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী শুরু হচ্ছে টিকাদান কার্যক্রম। প্রতিটি জেলার সিভিল সার্জনদের কাছে পৌছেন করোন ভ্যাকসিন। এরইমধ্যে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে স্বাস্থ্যকর্মীদেরকে।
এদিকে, রাজধানীতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, বাংলাদেশ–কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রস্তুত রাখা হয়েছে টিকা দেওয়ার বুথ। এছাড়া টিকা নেয়ার পর করো তাৎক্ষণিক সমস্যা মনে হলে তাদের বিশ্রামের ব্যবস্থাসহ বিশেষ প্রয়োজনে আলাদা আইসিইউ প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
টিকাদান কার্যক্রমে সরকারকে স্বাগত জানালেও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখনো সাধারণ মানুষের অনেকেরই টিকা নেয়ার আগ্রহ নেই। তাই এ বিষয়ে ব্যাপকহারে জনসচেতনতা বাড়ানোর পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।
জনগণকে ভ্যাকসিন সম্পর্কে সঠিক ধারণা দিলে, একদিকে যেমন করোনা ভীতি কমবে, একইভাবে সফল হবে টিকাদান কর্মসূচিও- এমনটাই মনে এই জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
বুলবুল আহমেদ, বাংলা টিভি



