
করোনা মহামারীতেও গেল বছরে সচল ছিল দেশের অর্থনীতি। স্রোতের প্রতিকুলে অর্থনীতি সচল রাখতে ভূমিকা রেখেছে কৃষি বিপ্লব ও প্রবাসীদে পাঠানো আয়। ধারণা করা হয়েছিল, করোনায় ধসে পড়বে রপ্তানি আয়ের শীর্ষতম খাত পোশাক শিল্প।
কিন্তু সরকারের তাৎক্ষনিক কিছু সিদ্ধান্ত ও ইতিবাচক ভূমিকার কারণে তা হতে পারেনি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশের ক্রান্তিলগ্নে এসবই রক্ষাকবচ হিসেবে অর্থনৈতিক ভিতকে আরো মজবুত করেছে।
চরম এক অনিশ্চয়তা নিয়েই শুরু হয়েছিল ২০২০ সাল। দেশব্যাপী শুরু হয় অঘোষিত লকডাউন। বন্ধ হয়ে যায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। রপ্তানি আয় নেমে আসে তলানীতে। কিন্তু সাহস হারায়নি কেউই। যার ইতিবাচক ফল আসে কয়েক মাস পরেই।
দেশের রপ্তানির প্রধান খাত পোশাক শিল্পের শক্ত ভিতকে নড়িয়ে দেয় করোনা মহামারী। ব্যবসায়ীরা বলছেন, প্রধানমন্ত্রীর বিচক্ষণতায় এটি দারুণভাবে সামাল দেয়া গেছে। একই সঙ্গে, দেশের দুঃসময়ে ত্রাতা হিসেবে আবির্ভূত হয় কৃষির উৎপাদনশীলতা। খাদ্যশস্যের এই অভূতপূর্ব উৎপাদনশীলতার পাশাপাশি, অভিবাসীদের অব্যাহতভাবে পাঠানো রেমিটেন্সও হয়ে ওঠে আশীর্বাদ।
জনগণ ও অর্থনীতির সুরক্ষায় সরকার ঘোষণা করে এক লাখ ২০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ। এ ছাড়া সংকট কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে বিলিয়ন ডলারের সহায়তাও দেয় বহুপাক্ষিক ব্যাংক ও দ্বিপাক্ষিক অংশীদাররা।
বছরের শেষ মুহূর্তে আশীর্বাদ হয়ে আসে পদ্মা সেতুর পূর্ণাঙ্গ রূপ। এই এক প্রকল্পের অগ্রগতি মহামারী করোনার দুঃখ ভুলিয়ে দেশজুড়ে আনে উৎসবের আমেজ।
শাহরিয়ার রাজ, বাংলা টিভি



