দেশবাংলা

সরকারী সহযোগিতা পেলে ঘুরে দাঁড়াবে এলাচ চাষীরা

প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও সঠিক দিক নির্দেশনা না পাওয়ায়, একাধিকবার এলাচ চাষে ক্ষতির শিকার হয়েও, দেশের প্রথম এলাচ চাষী বেনাপোলের শাহজাহান আলী, হাল ছাড়েননি। আম্পানসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দূর্যোগে, এলাচ গাছ মাটির সাথে মিশে কয়েক লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে তার। এতে  শাহাজান আলীর স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হলেও, ভেঙ্গে না পড়ে আবারো  নতুন করে চারা তৈরিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন তিনি।

ওয়েব সাইটের মাধ্যমে ফর্মূলা জেনে এলাচ চাষে উদ্বুদ্ধ হন, সৌখিন কৃষক শাহজাহান আলী। অনেক কষ্টে বিদেশ থেকে মাত্র ৭০টি এলাচের মূল সংগ্রহ করেন তিনি।

২০১২ সালে বেনাপোল পৌর সভার পাঠবাড়ি এলাকায় এক বিঘা জমিতে দুই জাতের এলাচ চাষ শুরু করেন তিনি। কিন্তু সেখানে মাটির সমস্যার কারণে,২০১৬ সালে নারায়নপুর গ্রামে এক একর জমিতে নতুন করে সবুজ এলাচ চাষ শুরু করেন। সেখানে ৬শ’টি এলাচের ঝাড়ে শতাধিক গাছে পর্যাপ্ত ফলন আসার সময়, ২০২০ সালের ২১ মে আম্পানে সব স্বপ্ন শেষ হয়ে যায়, শাহজাহানের। এরপর নতুন করে মাটি সংগ্রহ করে চারা তৈরিতে দেখছেন সফলতার মুখ। পার্বত্য অঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে এলাচ চাষে আগ্রহীরা তার কাছ থেকে চারা নেয়ার জন্য বুকিং দিচ্ছেন।

সরকার বাণিজ্যিকভাবে এ চাষে আগ্রহীদের আর্থিক সহযোগিতা করলে, অল্প সময়ে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রফতানি সম্ভব বলে মনে করেন তিনি। শাহাজান আলীর এ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে তাকে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দিলেন, উপেজেলা কৃষি কর্মকর্তা।

গবেষনার মাধ্যমে এই জাতীয় মসলার চাষ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে দিতে পারলে, দেশে আমদানি নির্ভরতা কমে যাবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাটিভি/দেশবাংলা

 

 

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button