দেশবাংলা

অতুলপ্রসাদ সেনের সমাধি ঘিরে পর্যটন কেন্দ্রের দাবি

গাজীপুরের শ্রীপুরে, পঞ্চকবি অতুলপ্রসাদ সেনের সমাধি, কাওরাইদের সুতিয়া নদীর তীরে অনেকটা অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে আছে। নতুন প্রজন্মের মাঝে খ্যাতিমান এই কবির স্মৃতিচিহ্ন ধরে রাখতে, জাদুঘর নির্মাণ ও পর্যটন কেন্দ্রের দাবি, এলাকাবাসীর।

শ্রীপুরের কাওরাইদ গ্রামেই ছিল ভাওয়ালের জমিদার কালী নারায়ণ গুপ্তের কাছারিবাড়ি। এখানে কালীনারায়ণ গুপ্ত প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, একটি ব্রাহ্মমন্দির। এই মন্দির লাগোয়া সমাধিতে শুধু অতুল প্রসাদের নয়, রয়েছে তাঁর দাদা কালীনারায়ণ ও মামা কেজি গুপ্ত নামে সমধিক পরিচিত, স্যার কৃষ্ণগোবিন্দ গুপ্তের সমাধিও।

এই কালীনারায়ণের নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দেয়া হত, কালীনারায়ণ বৃত্তি। কালের আবর্তে এর আকর্ষণ হারালেও, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্মলগ্নে এই বৃত্তির মূল্য ছিল অনেক।

অতুলপ্রসাদ সেন ছিলেন, ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন বিশিষ্ট বাঙালি গীতিকার, সুরকার ও গায়ক। বিশিষ্ট এ সংগীতবিদ বাংলা গানে ঠুমরি ধারার প্রবর্তক এবং প্রথম বাংলায় গজল রচনা করেন। বাংলা সঙ্গীতের প্রধান পাঁচজন স্থপতির একজন অতুলপ্রসাদ সেন। তাঁর রচিত গানগুলোর মূল উপজীব্য বিষয় ছিল দেশপ্রেম, ভক্তি ও প্রেম।

তাঁর লেখা “মোদের গরব, মোদের আশা” আ মরি বাংলা ভাষা’ গানটি বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের সময় বাঙালিদের  প্রেরণা জুগিয়েছে। গানটির আবেদন আজও অম্লান। খ্যাতিমান এই কবির স্মৃতিচিহ্ন ধরে রাখতে স্মৃতি জাদুঘর নির্মাণ ও পর্যটন কেন্দ্রের দাবি, এলাকাবাসীর।

নতুন প্রজন্মকে সমৃদ্ধ করতে খ্যাতিমান এই কবির স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষণে নানা উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানান জেলা প্রশাসক।

অতুলপ্রসাদ ১৮৭১ সালের ২০ অক্টোবর ঢাকায় তাঁর মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৩৪ সালের ২৬ আগস্ট মারা যান তিনি।

ডেস্ক রিপোর্ট, বাংলা টিভি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button