৫০ বছরেও অরক্ষিত জামালপুরের গণকবরগুলো

হানাদার বাহিনীর শক্তিশালী ঘাটি জামালপুর দুর্গের পতনের মধ্য দিয়ে ১১ নম্বর সেক্টরের বীর মুক্তিযোদ্ধারা সূচনা করেছিল ঢাকা বিজয়ের পথ। তবে স্বাধীনতার ৫০ বছর পেরিয়ে গেলেও মুক্তিযুদ্ধের সেসব স্মৃতিচিহ্ন ও গণকবরগুলো এখনো অরক্ষিত।
একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের শুরুতেই বৃহত্তর ময়মনসিংহ ছাড়াও আশপাশের বেশক’টি জেলা ও ভারতের মেঘালয় রাজ্যের তুরা জেলার মহেন্দ্রগঞ্জ এলাকায় ১১নম্বর সেক্টরের হেড কোয়াটার স্থাপন করা হয়। বিপরীতে জামালপুর জেলা সদরের পিটিআই ও ধানুয়া কামালপুরে ছিলো হানাদার বাহিনীর শক্তিশালী ঘাঁটি।
যুদ্ধকালীন সময়ে হানাদাররা পিটিআই হেড কোয়াটার, আশেক মাহমুদ কলেজের ডিগ্রি হোস্টেল টর্চার সেল, ব্রহ্মপুত্রের তীরে শ্মশান ঘাট বধ্যভূমি এবং ফৌতি গোরস্থানে ধরে নিয়ে গিয়ে অসংখ্য মুক্তিযোদ্ধা ও নিরস্ত্র বাঙ্গালীকে নৃশংসভাবে হত্যা করে।
এছাড়াও সরিষাবাড়ীর বারই পটল এলাকায় হত্যা করা হয় শতাধিক মুক্তিকামী বাঙ্গালীকে। স্বাধীনতার ৫০ বছর পেরিয়ে গেলেও এসব ও গণকবরগুলো সংরক্ষণের উদ্যোগ নেই।
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্নগুলো ও সংরক্ষণের কথা জানিয়েছে সদর আসনের সংসদ সদস্য মুক্তিযোদ্ধা মোজাফফর হোসেন। আর বধ্যভূমিগুলো সংরক্ষণের মধ্য দিয়ে আগামী প্রজন্মের কাছে স্বাধীনতার চেতনা সমুন্নত থাকবে, এমনটিই প্রত্যাশা জামালপুরে মুক্তিযোদ্ধাদের।
কাওছার আহমেদ, জামালপুর প্রতিনিধি



