গাজীপুরের শ্রীপুর তিনশ বছরের পুরনো কেওয়া বটগাছটি কালের সাক্ষী

গাজীপুর জেলার শ্রীপুর পৌরসভার তিনশ বছরের পুরনো কেওয়া বটগাছটি কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। প্রকৃতির স্বাভাবিক পরিবেশ নিশ্চিৎ করলে গাছটি টিকে থাকতে পারে আরও অনেক বছর। এলাকাবাসীর অকৃত্রিম বন্ধু,প্রাচীন এ বৃক্ষটি সংরক্ষণ করে,ভ্রমন পিপাসুদের উপভোগ্য পরিবেশ তৈরিতে উদ্যোগ নেবেন বলে জানিয়েছেন,গাজীপুর জেলা প্রশাসক।
বট বৃক্ষের ছায়া”কথাটিতে আছে এক নিশ্চিন্ত নির্ভরতার আশ্বাস। আমাদের জাতীয় সংগীতেও কবি গুরু ‘‘কি আঁচল বিছায়েছো বটের মূলে,কথাটিতে নির্ভরতার এক সজীব চিত্র এঁকেছেন।বটগাছ বাংলার ঐতিহ্যবাহী আদিমতম বৃক্ষ।নানারকম ঔষধি গুণে ভরা এই গাছটি। ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলসহ দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশে তাই বট গাছ কাটা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
এই বটগাছের নিচে ও পাশে প্রায় সবটুকু মাটিতেই প্রভাবশালীরা স্থায়ী দোকান এবং অস্থায়ী দোকানের জন্য সলিং করে, অবৈধভাবে দখল করে রেখেছেন। প্রাচীন এ বৃক্ষটির বিশাল গোড়া প্রায় ধ্বংসের পথে। শেকরগুলোকে খুঁটি হিসেবেই ব্যবহার করছেন দোকানিরা, কেউ কেউ পেরেক মেরে সাইনবোর্ড,ব্যানার ও দড়ি ঝুলিয়েছেন।
বটবৃক্ষটির অস্তিত্ব রক্ষায়,স্থানীয় বাসিন্দারা অনেকেই সরকারী উদ্যোগের দাবী জানিয়েছেন । কালের স্বাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা এ বটবৃক্ষটি সংরক্ষনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানালেন গাজীপুর জেলা প্রশাসক
ময়লা-আবর্জনা ও লোকজনের যাতায়াত নিয়ন্ত্রিত রেখে, শাখা থেকে ঝুরিগুলোকে মাটি ছোঁয়ার ব্যাবস্থা করে দিলে, কেওয়া বাজার বটতলা ফিরে পেতে পারে তার হারানো ঐতিহ্য, আকৃষ্ট করতে পারে আরও অনেক বেশী দর্শনার্থী ও পর্যটকদের।
ডেস্ক রিপোর্ট/বাংলা টিভি/এস



