অর্থনীতিদেশবাংলা

খুলনায় কাঁকড়া চাষ করে সফলতা পেয়েছেন অনেকেই

জয়ন্ত মোহন্ত,একজন তরুন কাঁকড়া চাষী।লেখা-পড়ার পাশাপাশি বাবার সাথে খুলনার ডুমুরিয়ায়, নিজস্ব জমিতে শুরু করেছিলেন,কাঁকড়া চাষ। কিন্তু করোনার কারনে দীর্ঘদিন দেশের বাইরে কাঁকড়া রপ্তানি বন্ধ থাকায় ক্ষতির মুখে পড়লেও,আবারও রপ্তানি শুরু হওয়ায় আশার আলো দেখছেন জয়ন্তসহ অন্যান্য চাষীরা।

খুলনার ডুমুরিয়ার কাঞ্চন নগর গ্রামের অমর মোহন্তের ছেলে জয়ন্ত মোহন্ত। যিনি বাগেরহাট পিসি কলেজে লেখা-পড়ার পাশাপাশি কয়েক বছর আগে বাবার ৩০ শতক জমিতে কাঁকড়া চাষ শুরু করেন।কাকঁড়া চাষে সফলতা পেলেও হঠাৎ করে করোনায় সে সফলতায় ভাট পড়ে। দেশের বাহিরে কাঁকড়া রপ্তানি বন্ধ হওয়ায়,মারাত্বকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন,জয়ন্তসহ অন্যান্য চাষীরা।

তবে সম্প্রতি ফের বিদেশে কাঁকড়া রপ্তানি শুরু হওয়ায়,আশার আলো দেখছেন অনেক চাষী। তাই প্রায় ২ লক্ষ টাকা ব্যায়ে ঘুড়ে দাড়ানোর স্বপ্ন নিয়ে আবারও কাঁকড়া চাষ শুরু করেছেন তরুন চাষী,জয়ন্ত। বছর শেষে কাঁকড়া বিক্রি করে প্রায় ৫ লক্ষাধীক টাকা আয় হবে বলে মনে করছেন,তরুন কাঁকড়া চাষী জয়ন্ত মোহন্তসহ স্থানীয় চাষীরা।

এদিকে মৎস্য দপ্তরের পক্ষ থেকে করোনায় ক্ষতিগ্রস্থ চাষিদের সরকারীভাবে লোন প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি সব ধরনের কারিগরি পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। ফলে কাঁকড়া চাষীরা আবারও ঘুরে দাড়াতে পারবেন বলে মনে করছেন এ মৎস্য কর্মকর্তা।

বর্তমানে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলায় ১৮ হেক্টর জমিতে ২২০ জন চাষি কাঁকড়া চাষ করছেন। করোনার প্রভাব কাটিয়ে কাঁকড়া চাষিরা আবারও ঘুরে দাড়াবেন এমনটাই মনে করছেন,কাকঁড়া চাষীরা।

ডেস্ক রিপোর্ট/ বাংলা টিভি/এস

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button