fbpx
অর্থনীতিদেশবাংলা

কিশোরগঞ্জের নিকলীতে হাঁস পালন করে অনেকেই স্বাবলম্বী

সারা বছরই, পানি থৈ থৈ করে, দেশের সর্ববৃহৎ ভাটি অঞ্চল, কিশোরগঞ্জের নিকলী হাওড় বাওড় গুলোতে । আশপাশে যে ক’টি গ্রাম বা জনবসতি রয়েছে, তাদের জীবন জীবিকা নির্বাহ করতে হয় মৎস্য আহরণ করেই। তবে বর্তমানে জেলার এই অঞ্চলের অনেকেই হাঁস পালনে জীবিকা নির্বাহ করেন। গ্রামের চারপাশে হাওড়ের পানি, আর ঘোড়াউত্রা ও সোয়াইজানি এই দুই নদীর তীরে, হাঁস পালনের পরিবেশ থাকায়, অনেক গ্রামের হতদরিদ্র মানুষ হাঁস পালন করে হয়েছেন সাবলম্বী ।

কিশোরগঞ্জের নিকলীতে ব্যাপকভাবে গড়ে উঠেছে ছোট-বড় অনেক হাসের খামার। আর সঙ্গত কারণেই হাস পালন করতে করতে অনেকে শুরু করেছেন,হাসের ডিম ক্রয়-বিক্রয়ের ব্যবসা । নিকলীর খামারীরা সাধারণত দুই জাতের হাঁস পালন করে থাকেন নাগিনী ও খাগি।

তবে বেশিরভাগ হাঁস পালনকারীরা নাগিনী জাতের হাঁস পালন করে থাকেন। কারন নাগিনীরা সারাদিন নদীতে ঘুরে ঘুরে খাবার খায় ও ডিম দেয় প্রায় তিন বছরের মত। খাগি জাতের হাঁসগুলো শামুক,ধান ও গম খায়। ডিম দেয় তুলনা মূলক কম।

খামারীদের অভিযোগ, স্থানীয় উপজেলা প্রাণীসম্পদ কার্যালয় থেকে কোন ধরনের সহযোগিতা পান না তারা। তবে এসব অভিযোগ আমলে নেননি জেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা।এসব খামারীদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও ঔষধ দেয়া হলে,কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাটিভি/শহীদ

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button