fbpx
দেশবাংলাজনদুর্ভোগ

অচেনা ভয়ঙ্কর প্রাণী আতঙ্কে দিশেহারা গাইবান্ধার পলাশবাড়ির ১০ গ্রামের মানুষ

অচেনা ভয়ঙ্কর প্রাণী আতঙ্কে দিশেহারা গাইবান্ধার পলাশবাড়ি উপজেলার হরিনাথপুর ইউনিয়নের ১০ গ্রামের মানুষ। হিংস্র জন্তুটির আক্রমণে,ইতোমধ্যে মারা গেছেন একজন,আহত হয়েছেন অর্ধশতাধিক। মানুষ দেখলেই হামলা করছে,জন্তুটি। কামড়ে তুলে নেয়,শরীরের মাংস। থাবায় ক্ষত-বিক্ষত হচ্ছে, চোখ-মুখ। এমন ঘটনায় দিনদিন আতঙ্ক বাড়ছে,স্থানীয়দের মাঝে। দ্রুত এই আতঙ্ক থেকে মুক্তি চান গ্রামবাসী। গাইবান্ধা প্রতিনিধি জাহিদ খন্দকারের প্রতিবেদন।

সম্প্রতি গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার তালুকজামিরা গ্রামে,হিংস্র জন্তুটির আক্রমনের শিকার হয় দশ বছরের শিশু রাব্বী। প্রাণীটি থাবা দেয়,তার বুক, মুখমন্ডলসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে। এছাড়া কৃষক ও স্থানীয় মসজিদের ইমাম ফেরদৌস সরকার রুকু,মাঠে কাজ করার সময় শিকার হন,অদ্ভুদ প্রাণীটির।

কৃষকের কাস্তে দিয়ে আঘাত করেও রক্ষা পাননি।তার নাক-মুখ রক্তাক্ত করে পালিয়ে যায় ভয়ংকর প্রাণীটি। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। কিছুটা সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফেরার পর,ভয় আর আতঙ্কে ১৮ দিন পর মারা যান,কৃষক রুকু।

শেয়াল-কুকুরের মতো দেখতে প্রাণীটির মাথা ও লেজ বড়।পা দুটি ছোট ও শরীরে রয়েছে ডোরাকাটা দাগ। অদ্ভূত আকৃতির এই প্রাণীর আক্রমনের ভয়ে দিন কাটছে স্থানীয়দের। দিনে রাতে হামলা থেকে রেহাই পাচ্ছেনা মানুষ ও গবাদি পশু। লাঠি শোটা নিয়ে পাহাড়া দিয়েও, রেহাই মিলছে না আক্রমন থেকে। স্কুলে যেতে পারছেনা শিক্ষার্থীরা। গ্রামবাসীর দাবী একটি নয়,একাধিক প্রাণী রয়েছে।

আবাস ও খাদ্যের অভাবে এসব বন্য প্রাণী, লোকালয়ে প্রবেশ করছে এবং হিংস্র হয়ে মানুষকে আক্রান্ত করতে পারে বলে জানান,জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা।এদিকে, প্রাণীটির আক্রমন থেকে গ্রামবাসীকে রক্ষায়, জরুরী ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে জানান,জেলা প্রশাসক ।অবিলম্বে অদ্ভুদ প্রানীটিকে সনাক্ত করে, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবী জানিয়েছেনএলাকাবাসী।

ডেস্ক রিপোর্ট/ বাংলা টিভি/এস

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button