দেশবাংলা

চলনবিল এলাকায় খরা মৌসুমে সেচের কাজে সোলার পাম্প

নাটোরের চলনবিলের কৃষকদের, খরা মৌসুমে নিরবচ্ছিন্ন সেচ প্রদান করতে,ভু-উপরিস্থ পানি দিয়ে সেচ প্রদান করা হচ্ছে। সৌর শক্তি ব্যবহারে খরচ কম ও ফলন বৃদ্ধি পাওয়ায় খুশি, কৃষকরা। বিএডিসি বলছে,কৃষকদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন তরান্বিত করতে,কার্যকর ভূমিকা রাখছে পরিবেশ বান্ধব সোলার সেচ পাম্প।

নাটোরের চলনবিল এলাকার মধ্যদিয়ে প্রবাহিত আত্রাই,গুরনই,বারনই,নাগরসহ বেশ কিছু নদ-নদী। তবে খরা মৌসুমে, বরেন্দ্র অঞ্চলের পানির লেয়ার নিচে নেমে যায়। পানির অভাবে, ফসল উৎপাদন মারাত্বক ভাবে ব্যহত হয়।

বর্তমানে বিদ্যুৎ ও ডিজেলের দাম বেড়ে যাওয়ায়,উৎপাদন খরচ নিয়ে দুঃচিন্তায় রয়েছেন কৃষকরা। তবে আশার কথা হলো,সম্প্রতি বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন কৃষি আবাদে সেচ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে,সৌর শক্তি কাজে লাগিয়ে, চলমান এসব নদ-নদীর ভূ-উপরিস্থ পানি,সেচ কাজে ব্যবহারে সাফল্য পেয়েছে।

বিদ্যুৎ বা ডিজেলের চেয়ে পরিবেশ বান্ধব এ পদ্ধতিতে, ৮০ ভাগ সেচ খরচ কমেছে। কৃষকরা বলছেন,নদীর পানি দিয়ে জমিতে সেচ দেওয়ায়,খরচ কম হওয়ার পাশাপাশি, জমিতে সার ও কিটনাশক কম প্রয়োগ করতে হচ্ছে। পলি যুক্ত নদীর মিঠা পানির কারনে,জমির উর্বরতা শক্তি বাড়ছে,ফলে বাম্পার ফলনের আশা করছেন তারা।

লাভজনক হওয়ায়, কৃষকদের আগ্রহ বেড়েছে সৌর সেচ পাম্প ব্যবহারে। চলনবিলকে সোলার পল্লী গড়ে তুলতে, কাজ করছে বিএডিসি।

বাংলা টিভি / বুলবুল

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button