ছাত্র আন্দোলনঅন্তর্বর্তী সরকারবাংলাদেশ

কী ঘটবে সেদিন, জানতে অপেক্ষা করতে হবে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত: নাহিদ

তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলেছেন– আমরা যারা এই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণ করেছি, তাদের পক্ষ থেকে জুলাই প্রক্লেইমেশন (ঘোষণাপত্র) আসবে। কোন ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে এমন অভ্যুত্থান সংঘটিত হলো, কেন সরকার পতনের ডাক দেয়া হলো, জুলাই অভ্যুত্থানের ফলে ছাত্র-জনতার সত্যিকার আকাঙ্ক্ষা কী ছিল, সেটি ব্যক্ত করার জন্য একটি ঘোষণাপত্র জাতির সামনে হাজির করা হবে।

সেক্ষেত্রে কোনো বিপ্লবী সরকার গঠনের পরিকল্পনা আছে কিনা, সাংবাদিকের এমন প্রশ্নে নাহিদ বলেন– সেজন্য আপনাদের অপেক্ষা করতে হবে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

রোববার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে কর্মরত সাংবাদিক ও সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

উপদেষ্টা নাহিদ বলেন, সচিবালয়ে প্রবেশে সাংবাদিকসহ সবার স্থায়ী ও অস্থায়ী পাস বাতিল করা হয়েছে। আবারও নতুন করে পাস দেয়া হবে। আগামীকাল সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) থেকে নতুন কার্ড নিয়ে নির্দিষ্ট সংখ্যক সাংবাদিকরা সচিবালয়ে প্রবেশ করতে পারবে। স্বরাষ্ট্র ও তথ্য মন্ত্রণালয় বিষয়টি নিয়ে কাজ করবে।

উল্লেখ্য, আগামী মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হবে বলে আজ এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।

শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) এ বিষয়ে সামাজিকমাধ্যমে স্ট্যাটাস দেন প্ল্যাটফর্মটির অন্যতম সমন্বয়ক সারজিস আলম, হাসনাত আবদুল্লাহ, উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ ও জাতীয় নগরিক কমিটির আহ্বায়ক নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারী। যা নিয়ে সৃষ্টি হয় তুমুল আলোচনা।

বৈষম্যবিরোধীদের বেশিভাগই তাদের ফেসবুক পোস্টে লেখেন– আগামী ৩১ ডিসেম্বর বিকেল ৩টায় শহীদ মিনার। এখনই সময়, বাংলাদেশের জন্য। জাতীয় নাগরিক কমিটির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টে ৩১ ডিসেম্বর জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্রের কথা উল্লেখ করা হয়।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বা জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্যদের একই রকম পোস্টকে ঘিরে নেটিজেনরা নানা মন্তব্য করছেন। তাদের কেউ কেউ বলছেন, ৩১ ডিসেম্বর নতুন কোনো রাজনৈতিক দল আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে। আবার ওই দিন ফ্যাসিবাদী শক্তির বিরুদ্ধে নতুন কর্মসূচির ঘোষণা আসবে বলেও মন্তব্য করছেন অনেকে।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button