
সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে শুনানি নিয়ে ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আদনান জুলফিকার মেহজাবীন ও আলিসানকে অব্যাহতির এ আদেশ দেন।
সকাল ১০টার দিকে আদালতে আসেন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাই আলিশান চৌধুরী। বেলা ১১টার দিকে তারা এজলাসে ওঠেন।
এদিকে হুমকি, ভয় দেখানোর অভিযোগে করা মামলার শুনানিতে আদালতকে অভিনেত্রী জানান, মামলার বাদীকে তিনি কখনো দেখেননি, চেনেন না। তাকে হুমকি দেওয়ার প্রশ্নই আসে না।
মেহজাবীনের আইনজীবী তুহিন হাওলাদার নীল রঙের জবাব দাখিলের কাগজ বিচারকের সামনে দেন।
বাদী আমিরুলের পক্ষে আইনজীবী রায়হান গাজী বলেন, আসামিরা ধার্য তারিখে না থাকায় তাদের বিরুদ্ধে পরোয়ানা হয়। আমরা জবাব পাইনি। এই আসামি মামলার বাদীর কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন। পরবর্তী সময়ে টাকা ফেরত চাওয়ায় তাকে হুমকি দিয়েছেন।
এ সময় বিচারক বাদীকে জিজ্ঞাসা করেন, ‘আপনাকে কে হুমকি দিয়েছে?’ বাদী বলেন, ‘ওনারা হাতিরঝিল এলাকায় আমাকে হুমকি দিয়েছে।’ তখন বিচারক বলেন, ‘মেহজাবিন হুমকি দিয়েছে?’ বাদী বলেন, ‘না, তার ভাই হুমকি দিয়েছে। বিভিন্ন অপরিচিত লোক দিয়ে তিনি হুমকি দিয়েছেন।’
এ সময় বিচারক বলেন, এই মামলায় বিষয় ২৭ লাখ টাকা না। এটা হুমকি দেওয়ার মামলা। এখানে বিচার্য বিষয় হচ্ছে আপনারা তাকে হুমকি দিয়েছেন কি না?
তখন মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাই মাথা নেড়ে বলেন, না।
বিচারক আরও বলেন, আর ভবিষ্যতে হুমকি দেবেন কি না? তখন মেহজাবীন চৌধুরী বলেন, হুমকি দেওয়ার কোনো প্রশ্নেই আসে না।
আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলাটিতে আসামি মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাই আলিসান চৌধুরীর আদালতে হাজির না হওয়ায় গত ১০ নভেম্বর আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। পরে ১৬ নভেম্বর সন্ধ্যায় ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ আফরোজা হক তানিয়ার আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের এ আবেদন করেন তারা। শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।



