আন্তর্জাতিকএশিয়া

পাকিস্তান- আফগানিস্তান: সামরিক শক্তিতে কে এগিয়ে?

সীমান্তে উত্তেজনা ও পাল্টাপাল্টি হামলার পর পাকিস্তান শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ‘অপারেশন গজব লিল হক’ অভিযান শুরু করেছে। পাকিস্তানের বিমান বাহিনী আফগানিস্তানের কাবুল, কান্দাহার ও পাকতিয়া প্রদেশের তালেবান বাহিনীর সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। এই সংঘাতের প্রেক্ষাপটে দুই দেশের সামরিক শক্তির তুলনামূলক বিশ্লেষণ তুলে ধরা হলো:

বিভাগ পাকিস্তান আফগানিস্তান
সেনাসদস্য ৬,৬০,০০০ সক্রিয় সেনা ১,৭২,০০০ সেনা
ট্যাংক ও সাঁজোয়া যান ৬,০০০+ সাঁজোয়া যান, ৪,৬০০+ আর্টিলারি সীমিত পুরোনো সাঁজোয়া যান ও কামান
বিমান শক্তি ৪৬৫ যুদ্ধবিমান, ২৬০+ হেলিকপ্টার অল্পসংখ্যক পুরোনো বিমান ও হেলিকপ্টার; কার্যক্ষমতা অনিশ্চিত
পারমাণবিক সক্ষমতা পারমাণবিক রাষ্ট্র, আনুমানিক ১৭০ ওয়ারহেড নেই

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সংখ্যার বিচারে পাকিস্তান অনেক এগিয়ে থাকলেও ভৌগোলিক অবস্থান, কৌশল, প্রশিক্ষণ ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটও যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আফগানিস্তানের পাহাড়ি ভূখণ্ডে তালেবান বাহিনী গেরিলা কৌশল ব্যবহার করে অবস্থান নিয়েছে, যা conventional শক্তির জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ দাবি করেছেন, আফগানিস্তান আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদে সহায়তা করছে এবং ভারতের প্রক্সি গ্রুপ ব্যবহার করে পাকিস্তানে হামলা চালাচ্ছে। উভয় দেশের সীমান্তে এখন যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে, যা দক্ষিণ এশিয়ার স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button