মসজিদুল আকসায় এশা ও তারাবি নামাজ বন্ধ

অধিকৃত জেরুজালেমে অবস্থিত Al-Aqsa Mosque–এ শনিবার রাতে এশা ও তারাবি নামাজ আদায় করতে দেয়নি Israel দখলদার পুলিশ। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের Iran attack 2026–এর পর ঘোষিত জরুরি অবস্থার অজুহাতে এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।
Islamic Waqf–এর সূত্র আল-জাজিরাকে জানিয়েছে, শুধুমাত্র মসজিদের ইমাম Sheikh Yusuf Abu Asnaina, পরিচালক Sheikh Omar Al-Qiswani এবং অল্প কয়েকজন ওয়াক্ফ কর্মী এশার নামাজ আদায় করতে পেরেছেন। সাধারণ মুসল্লিদের প্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ রাখা হয়।
জেরুজালেম গভর্নরেট জানিয়েছে, চলতি রমজানের শুরু থেকে তারাবিতে ৩৫ হাজার থেকে এক লাখ মুসল্লি অংশ নিয়েছেন। তবে শনিবার জরুরি অবস্থার কারণে এশা ও তারাবিসহ সব নামাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়।
Channel 12 Israel জানিয়েছে, নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে হোম ফ্রন্ট কমান্ড রমজানজুড়ে আল-আকসা বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে। জরুরি অবস্থার ফলে শিক্ষা কার্যক্রম স্থগিত, জনসমাগম নিষিদ্ধ এবং শুধুমাত্র জরুরি কার্যক্রম চালু রাখা হয়েছে।
মসজিদ প্রশাসন Jordanian Waqf Department–এর তত্ত্বাবধানে থাকলেও, পুলিশ নির্দেশে মসজিদের ফটক বন্ধ করে দেওয়া হয়। শনিবার জোহরের আগে জেরুজালেমের বাসিন্দা ও ফিলিস্তিনি মুসল্লিদের প্রাঙ্গণ থেকে বের করা হয়, শুধু প্রহরীদের দায়িত্বে থাকার অনুমতি দেওয়া হয়।
রমজানের ১১তম দিনে এশা ও তারাবি মুসল্লিশূন্য আল-আকসার দৃশ্য অনেককে ২০২০ সালের মহামারির সময়ের কথা মনে করিয়ে দিয়েছে। জেরুজালেমবিষয়ক গবেষক Ziad Evhais সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, এটি আল-আকসা মসজিদের ওপর এককভাবে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চূড়ান্ত পদক্ষেপ এবং কথিত ইসরায়েলি সার্বভৌমত্ব প্রদর্শনের প্রচেষ্টা।



