এক ভুলেই বিশাল খেসারত দিতে হলো ইরানকে

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরানের রাজধানী তেহরানসহ দেশের বিভিন্ন শহরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলা চালানো হয়। এ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ও কয়েকজন শীর্ষ সামরিক ও গোয়েন্দা কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলা গভীর রাতে নয়, বরং সকাল বেলায় চালানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল মাসের পর মাস গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের পর এটি সম্পন্ন করে। তাদের লক্ষ্য ছিল এমন একটি সময়, যখন ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব একত্রে উপস্থিত থাকবে।
নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, গোয়েন্দা তথ্য এসেছে সিআইএ থেকে এবং তা ইসরায়েলকে প্রদান করা হয়। ইসরায়েলি জেট যুদ্ধবিমানের মাধ্যমে লক্ষ্যবস্তুতে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। হামলার সময় তেহরানে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আঘাত করা হয়, তবে ইরানি কর্মকর্তারা নিরাপদ থাকার খবর দেন।
ইরান নিশ্চিত করেছে যে এই হামলায় ডিফেন্স কাউন্সিল সেক্রেটারি আলি শামখানি, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আজিজ নাসিরজাদেহ এবং আইআরজিসি কমান্ডার জেনারেল মুহাম্মদ পাকপৌর নিহত হয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, খামেনি তাদের নজরদারি ও গোয়েন্দা সক্ষমতা এড়িয়ে যেতে পারেননি। হামলা পরিকল্পিত ও নিখুঁতভাবে পরিচালিত হয়েছে, যা ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে করা একটি ব্যাপক অভিযান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।



