ভিজিডির চালে পোঁকা, খাদ্য কর্মকর্তা দোষ দিচ্ছেন বৃষ্টির

কুমিল্লার চান্দিনায় ঈদ উপলক্ষে ভিজিডি (ভালনারেবল গ্রুপ ডেভেলপমেন্ট) কর্মসূচির আওতায় বিতরণ করা চালের মধ্যে নষ্ট ও পোকায় আক্রান্ত চাল পাওয়া গেছে। সুবিধাভোগীরা বাড়িতে নেওয়ার পর চালের বস্তা আবার ইউনিয়ন পরিষদে ফেরত নিয়ে আসেন।
জানা যায়, ঈদকে সামনে রেখে চান্দিনার বিভিন্ন ইউনিয়নে ভিজিডি কার্ডধারীদের মাঝে জনপ্রতি ৩০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে উপজেলার বাতাঘাসী ইউনিয়নে ১০০ জন সুবিধাভোগীর জন্য ৩ মেট্রিক টন চাল সরবরাহ করে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়।
ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সাদেকুর রহমান চাল বিতরণের পর অন্তত ১৬ জন সুবিধাভোগী অভিযোগ করেন যে তাদের বস্তার চাল পঁচা ও পোকায় ভরা। পরে তারা চাল নিয়ে ইউনিয়ন অফিসে ফিরে আসেন। চেয়ারম্যান জানান, প্লাস্টিকের বস্তায় থাকায় বিতরণের সময় চালের অবস্থা বোঝা যায়নি। ১০০ বস্তার মধ্যে ১৬ বস্তা চাল নষ্ট ছিল। বিষয়টি জানিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয় এবং চালগুলো ইউনিয়ন পরিষদে সংরক্ষণ করা হয়।
ইউনিয়ন পরিষদের কয়েকজন সদস্য অভিযোগ করেন, খাদ্যগুদামে নষ্ট চাল থাকা উদ্বেগজনক এবং এর পেছনে গাফিলতি বা অনিয়ম থাকতে পারে।
এ বিষয়ে উপজেলা খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নাইমুল করিম টিটু বলেন, ৭ নম্বর গুদামের ছাদ চুইয়ে পানি পড়ায় কয়েকটি বস্তার চাল নষ্ট হয়েছে। শ্রমিকরা তা খেয়াল করেননি। নষ্ট চাল ফেরত নিয়ে ভালো চাল দেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।
তবে সরেজমিনে দেখা গেছে, যেই অংশ দিয়ে পানি পড়ার কথা বলা হয়েছে সেখানে চালের বস্তা রাখা ছিল না। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন বৃষ্টি না হওয়ায় কর্মকর্তার ব্যাখ্যা প্রশ্নবিদ্ধ। তারা ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।



