যু/দ্ধবিরতিতে চুপ থাকায় নিজের দেশেই ক্ষোভের মুখে নেতানিয়াহু

ইসরায়েল সরকার ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-এর মধ্যে ঘোষিত দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি নিয়ে এখনো প্রকাশ্যে কোনো স্পষ্ট প্রতিক্রিয়া না দেওয়ায় দেশটির ভেতরে সমালোচনা তৈরি হয়েছে।
এই নীরবতা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইসরায়েলি চ্যানেল ১২-এর সামরিক প্রতিবেদক নিৎসান শাপিরা। তিনি সামাজিক মাধ্যমে প্রশ্ন তুলেছেন—এত গুরুত্বপূর্ণ একটি কৌশলগত ইস্যুতে কেন ইসরায়েলি জনগণকে অন্ধকারে রাখা হচ্ছে।
শাপিরা সরাসরি জানতে চান, দেশের কোনো দায়িত্বশীল নেতা কি জনগণকে এ বিষয়ে আপডেট দেবেন, নাকি নাগরিকদের এখনো বিদেশি সংবাদমাধ্যমের ওপর নির্ভর করেই পরিস্থিতি বুঝতে হবে। তার এই বক্তব্য মূলত সরকারের তথ্য গোপন এবং জবাবদিহিতার অভাবের দিকেই ইঙ্গিত করে।
তিনি বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু-এর উদ্দেশ্যে প্রশ্ন রেখে বলেন, সরকার কি আনুষ্ঠানিকভাবে এই যুদ্ধবিরতি নিয়ে কোনো অবস্থান জানাবে, নাকি নীরবতাই বজায় রাখবে।
অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতোমধ্যে ইরানের দেওয়া ১০ দফা প্রস্তাবকে আলোচনার ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করার ইঙ্গিত দিয়েছেন। তার এই নমনীয় অবস্থান ইসরায়েলের জন্য কিছুটা অস্বস্তিকর হতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
পুরো পরিস্থিতিতে দেখা যাচ্ছে, একদিকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সমঝোতার প্রচেষ্টা এগোচ্ছে, অন্যদিকে ইসরায়েল এখনো আনুষ্ঠানিক অবস্থান স্পষ্ট করছে না। এতে দেশটির অভ্যন্তরে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হচ্ছে।
সব মিলিয়ে, এই নীরবতা শুধু কূটনৈতিক কৌশল নাকি অভ্যন্তরীণ দ্বিধা—তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, এবং আগামী ইসলামাবাদ বৈঠকের আগে ইসরায়েলের অবস্থান কী হয়, সেটিই এখন দেখার বিষয়।



