কুরবানির হাট মাতাবে আপেল-কমলা খাওয়া কালাচান ও সাদাচান

বাংলা টিভি ডেস্ক: ভোলার সদর উপজেলায় আসন্ন ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে এক খামারিকে ঘিরে এলাকায় তৈরি হয়েছে ব্যাপক কৌতূহল। উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের চরমনোষা গ্রামের দুলাল বেপারি তার খামারে বড় আকারের দুটি গরু প্রস্তুত করেছেন, যেগুলোর নাম রাখা হয়েছে ‘কালাচান’ ও ‘সাদাচান’।
খামারি দুলাল বেপারি জানান, তার খামারে মোট ১০টি গরু রয়েছে। এর মধ্যে হলিস্টিন ফ্রিজিয়ান জাতের এই দুটি গরু এখন সবচেয়ে বেশি আলোচনায়। ‘কালাচান’-এর ওজন প্রায় ২২ মণ এবং ‘সাদাচান’-এর ওজন প্রায় ১৮ মণ। তিনি কালাচানের দাম ৮ লাখ টাকা এবং সাদাচানের দাম ৭ লাখ টাকা নির্ধারণ করেছেন।
তিনি আরও জানান, গরুগুলোকে প্রায় তিন বছর ধরে দেশীয় ও বিশেষ পদ্ধতিতে লালন-পালন করা হয়েছে। প্রতিদিন সকালে ও বিকেলে প্রতিটি গরুকে প্রায় ৯ কেজি করে দানাদার খাবার দেওয়া হয়, যার মধ্যে ভুট্টা, গমের ভূসি, ফিড, আলু ও মিষ্টি কুমড়া রয়েছে। পাশাপাশি নলঘাস ও মাঝে মাঝে ফলও খাওয়ানো হয়।
দুলাল বেপারি বলেন, এই গরু দুটি তার কাছে সন্তানের মতো। তবে খরচ বেড়ে যাওয়ায় মোট ১৫ লাখ টাকার কমে বিক্রি করলে তার লোকসান হবে বলেও তিনি জানান।
স্থানীয়দের মতে, এত বড় গরু এলাকায় আগে দেখা যায়নি। দূরদূরান্ত থেকে মানুষ খামারটি দেখতে আসছেন এবং ঈদের হাটে গরু দুটি ঘিরে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
ভোলা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, খামারিকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হয়েছে এবং আশা করা হচ্ছে তিনি কাঙ্ক্ষিত দামে গরু দুটি বিক্রি করে লাভবান হবেন।



