গ্রাম বাংলাদেশবাংলা

হাজী নূর উদ্দিন আহমদ উচ্চ বিদ্যালয় প্রাক্তন শিক্ষার্থী মিলনমেলা

৩৩ বছরের পথচলা

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের স্মৃতিচারণ, প্রতিষ্ঠাতা শিক্ষকদের প্রতি শ্রদ্ধা আর বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়েছে হাজী নূর উদ্দিন আহমদ উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩৩ বছর পূর্তি ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান।

প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে তাদের পরিবারের সদস্যসহ সহস্রাধিক মানুষ অংশ নেন। সকাল থেকেই বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। দীর্ঘদিন পর পুরোনো বন্ধু, সহপাঠী ও প্রিয় শিক্ষকদের কাছে পেয়ে অনেকের মধ্যেই দেখা যায় আবেগ ও আনন্দের মিশ্র অনুভূতি।

পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও দোয়ার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। পরে বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক মেজবাহ উদ্দিন সূচনা বক্তব্য দেন।

বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সঙ্গে যেসব প্রতিষ্ঠাতা শিক্ষক ও ব্যক্তির সৎ, মহৎ ও দূরদর্শী উদ্যোগ জড়িয়ে রয়েছে, অনুষ্ঠানে তাদের উপস্থিতি পুনর্মিলনীকে করে তোলে আরও আবেগঘন এবং প্রাণবন্ত। প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা তাদের প্রিয় শিক্ষকদের সঙ্গে পুরোনো দিনের স্মৃতিচারণ করেন। শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সেই সম্পর্ক যেন ফিরে যায় বিদ্যালয়ের শুরুর দিনগুলোর স্মৃতিতে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের বর্তমান শিক্ষক-শিক্ষিকারা। তারা প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা ও স্মৃতিচারণে অংশ নেন। এ সময় প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষা ও জীবনের পথচলায় শিক্ষকদের অবদানের কথা স্মরণ করেন।

পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। গান, কবিতা ও নৃত্যসহ বিভিন্ন পরিবেশনায় অনুষ্ঠানস্থল হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত। একসময় বিদ্যালয়ের যে শিক্ষার্থীরা এই প্রাঙ্গণে নিয়মিত ক্লাস করতেন, তারাই আবার বহু বছর পর একই মঞ্চে ফিরে এসে স্মৃতির পাতাকে যেন নতুন করে জীবন্ত করে তোলেন।

আয়োজকরা বলেন, একটি বিদ্যালয়ের ৩৩ বছর পূর্তি শুধু একটি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে হাজারো শিক্ষার্থীর শৈশব, কৈশোর, শিক্ষা, বন্ধুত্ব ও জীবনের অসংখ্য স্মৃতি। সেই স্মৃতিকে ধারণ করা এবং প্রাক্তন শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও বর্তমান প্রজন্মের মধ্যে সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতেই এ পুনর্মিলনীর আয়োজন।

দিনব্যাপী এ আয়োজনে প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের সদস্য, প্রতিষ্ঠাতা শিক্ষক, বর্তমান শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং বর্তমান শিক্ষার্থীদের মিলনমেলায় প্রাঙ্গণ পরিণত হয় এক আনন্দঘন মিলনমেলায়।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button