পাহাড়ি ঢলে তিস্তার পানি উপচে পড়েছে তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় তিস্তা ব্যারেজ পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি বিপদ সীমার ২০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে করে নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে ।
প্রবল বর্ষণ আর উজানে ভারত থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তার পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে বলে জানান, জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মুহিবুল ইসলাম। আকস্মিক নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় প্লাবিত হয়েছে চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চল। এসব এলাকায় ডুবে গেছে আমনের বীজতলা ও অন্যন্য ফসল।
অসময়ে পানি বৃদ্ধিতে বন্যার আশংকায় রয়েছেন, তিস্তা পাড়ের লাখো মানুষ। নিরুপায় হয়ে নদী তীরবর্তী মানুষ তাদের ঘরবাড়ি অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছে। কুড়িগ্রামে তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। গত দুদিনে জেলার রাজারহাট উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের দুটি গ্রামের ১৫-২০টি বাড়িঘরসহ আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
শনিবার (২০ জুন) সকাল ৯টায় লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা দোয়ানী তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপদ সীমার ২০ সেন্টিমিটর উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তিস্তা ব্যারেজ দোয়ানী পয়েন্টে তিস্তা পানি প্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ৮০ সেন্টিমিটার। ব্যারাজ রক্ষার্থে ৪৪টি জলকপাট খুলে পানির প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করছেন পানি উন্নয়ন বোর্ড।
এলাকাবাসীর অভিযাগ, নির্বাচনের সময় এমপিরা নদী খনন এবং ভাঙন রোধে অনেক প্রতিশ্রুতি দিলেও সময়মতো তাদের দেখা যায় না। গত বছর কিছু জিও ব্যাগ ফেললেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম।
এ ব্যাপারে বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তাইজুল ইসলাম বলেন, ভাঙন কবলিত এলাকার ভিটেমাটি হারাদের তালিকা করা হচ্ছে। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানিয়েছি।



