
বাংলাদেশ করোনাভাইরাস সংক্রমণের চূড়ায় পৌঁছেছে কি না, সেটা বলা কঠিন। বাংলাদেশে করোনার পিক টাইম কবে তা বলাও কঠিন। তবে পরিস্থিতি মোকাবিলায় বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে এবং পরিকল্পিত উপায়ে লকডাউনসহ প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে হবে।
বাংলাদেশ সফরে আসা চীনের বিশেষজ্ঞরা রোববার ডিপ্লোম্যাটিক করেসপনডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ডিকাব) সদস্যদের সঙ্গে এক ভিডিও কনফারেন্সে এ মন্তব্য করেছেন। বাংলাদেশ সফর শেষে প্রতিনিধিদলটি আগামীকাল সোমবার ঢাকা ছাড়ছে।
চীনা বিশেষজ্ঞরা বলেন, ‘দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতার অভাব রয়েছে।’ বাংলাদেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণের সার্বিক পরিস্থিতি দেখে হতাশা প্রকাশ করেন চীনা বিশেষজ্ঞ দল। এছাড়া করোনার শনাক্তে পরীক্ষাও কম হচ্ছে জানিয়ে বেশি বেশি নমুনা পরীক্ষায় জোর দেন বিশেষজ্ঞরা।
চীনা বিশেষজ্ঞরা আরও জানান, বাংলাদেশে চিকিৎসকসহ চিকিৎসাকর্মীর সংখ্যাও খুবই কম। এছাড়া করোনা শনাক্তে র্যাপিড ডট কিটের পরীক্ষা তারা সমর্থন করেন না বলেও জানান। তারা বলেন, ‘পরীক্ষা, রোগী শনাক্ত, আইসোলেশন এবং চিকিৎসার ব্যবস্থা দ্রুত করতে হবে।’
উত্তরণের উপায় নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের জন্য নিজেদের সুপারিশসহ একটি রিপোর্ট দূতাবাসে জমা দিয়েছে তারা। সোমবার দেশে ফিরে যাবেন বিশেষজ্ঞ দলটি। তবে বাংলাদেশের জন্য চীনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে জানান তারা।



