ভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে জনজীবন সচল রেখেছে সুইডেন

করোনাভাইরাস ঠেকাতে বিশ্বের অনেক দেশ কর্মচাঞ্চল্যতা থেকে সরে আসলেও, ভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে জনজীবন সচল রেখেছে সুইডেন। করোনাকালীন সময়ের জন্য চাকরীক্ষেত্রে কিছু বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোও বিকল্প উপায়ে চালু রাখা হয়েছে।
চিকিৎসকদের ধারণা, যাদের কোভিড টেস্ট নেগেটিভ এসেছে তারা প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলেছেন। প্রবাসে বাংলার মুখ টকশোতে এমনটাই বললেন অতিথিরা।
করোনা ভাইরাসের প্রাদূর্ভাব শুরুর পর অন্যান্য দেশের মতো সবকিছু বন্ধ করে দেয়নি সুইডেন। স্কুলের বাচ্চারা কম সংক্রমণ প্রবন হওয়ায়, চালু ছিলো স্কুলগুলো। স্বাস্থ্যবিধি মেনে কর্মক্ষেত্রেও সচল রাখা হয়েছে।
সুইডেনে ওয়ার্ক পারমিট ভিসা নিয়ে যাওয়ার পর পারমানেন্ট রেসিডেন্সের জন্য আবেদন করলে, সাধারণত ৪৪ মাসের আগে কেউ চাকরী পরিবর্তন করতে পারতেন না। তবে করোনাকালীন সময়ের জন্য, বিবেচনা সাপেক্ষে এসব নিয়মে শিথিলতা আনা হচ্ছে।
অন্যদিকে, শিক্ষার্থীদের করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে সুইডেনের জাতীয় বোর্ড পরীক্ষাগুলো এবার অনুষ্ঠিত হয়নি। এর পরিবর্তে প্রাতিষ্ঠানিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে, সেটিকেই জাতীয় পরীক্ষা হিসেবে মুল্যায়ন করা হয়েছে।
চিকিৎসকরা বলেছেন, সূর্যের আলোতে কিছু সময় অবস্থান করলে, সুষম খাবার খেলে এবং নিয়মিত শরীরচর্চায় করোনার ঝুঁকি অনেকাংশে কমবে। যাদের কোভিড ১৯ টেস্টে রেজাল্ট নেগেটিভ এসেছে তাদের মধ্যে প্রতিরোধ ক্ষমতাও গড়ে উঠেছে বলে চিকিৎসকদের সাম্প্রতিক গবেষণায় জানা যায়।
যেসব দেশের করোনা সংক্রমন উর্ধ্বমুখী, সেসব দেশের নাগরিকদেরকে বর্তমানে সুইডেনে ঢুকতে দেয়া হচ্ছে না। সে তালিকায় বাংলাদেশও রয়েছে।
নাসির উদ্দিন ভূইয়া, বাংলা টিভি



