দেশবাংলা

পরের জমিতে ঘর বানিয়ে মানবেতর জীবনে মুক্তিযোদ্ধা রহমত

জীবনের পড়ন্ত গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা রহমত উল্লাহ। নিজের বসত ভিটা না থাকায় পরের জমিতে টিনসেড ঘরে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন তিনি। আর সরকারি সম্মানীর টাকায় কোনভাবে জোড়াতালি দিয়ে চলছে সংসার। সরকারি সহযোগীতা পেলে স্বীকৃতি পাওয়া এ বীর সৈনিক সু-চিকিৎসার পাশাপাশি জীবনের শেষ সময়টুকু কিছুটা ভাল থাকতে পারবেন।

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার রামনগর গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা রহমত উল্লাহ। ১৯৬৫ সালে এসএসসি পাশ করার পর, সরকারিভাবে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গান গাওয়ার সুযোগ পান। ১৯৭১ সালে যুদ্ধ শুরু হলে, সব বাদদিয়ে দেশ রক্ষায় ঝাঁপিয়ে পড়েন তিনি।

ভারতে গিয়ে প্রশিক্ষন নিয়ে পাক বাহিনীর সাথে  যুদ্ধে করে, দেশ স্বাধীনের দীর্ঘ কয়েক যুগ পরও, তার ভাগ্যে জোটেনি বসতবাড়ী। ১৯৮৬ সালে সরকারিভাবে ভাঙ্গালী নদীর চরে জায়গা দেয়া হলেও, তা এখন প্রভাবশালীদের দখলে।

বাধ্য হয়ে পরের জায়গায় একটি টিনসেড বাড়ী করে, সরকারি সামান্য ভাতা দিয়ে, চলছে তার জীবন যাপন। ৫ মেয়ে এক ছেলের কেউ পায়নি সরকারি চাকুরী। ফলে, একমাত্র ছেলেকে  রিক্সা-ভ্যান চালিয়ে সংসারের হাল ধরতে হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা রহমত উল্লাহর চিকিৎসা খরচসহ, সংসার চালাতে সরকারের সহায়তা চেয়েছেন, মুক্তিযোদ্ধা এই পরিবার।

এ বীর সেনার পাশে দাঁড়ানোর জন্য, সরকারের সু-দৃষ্টি চেয়েছেন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও। আর সরকারিভাবে বসতবাড়ী দেয়ার আশ্বাস দিলেন, জেলা প্রশাসক।

সরকারের সহযোগীতা মিললে, মুক্তিযোদ্ধা রহমত উল্লাহর সংসারে, সুদিন ফিরবে বলে মনে করেন সচেতন মহল।

ডেস্ক রিপোর্ট, বাংলা টিভি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button