বাংলাদেশআওয়ামী লীগরাজনীতিসরকার

বঙ্গবন্ধু  সর্বপ্রথম সুদমুক্ত  ক্ষুদ্রঋণ চালু করেন: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

এ দেশের অবহেলিত,পশ্চাৎপদ ও উপেক্ষিত অসহায় মানুষের কল্যাণে বঙ্গবন্ধু সর্বপ্রথম সুদমুক্ত ক্ষুদ্রঋণ চালু করেছিলেন বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ।

মঙ্গলবার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ১৯৭৪ সালে তাঁর প্রবর্তিত “সুদমুক্ত ক্ষুদ্রঋণ জাগরণী সপ্তাহ” ১৪-২১ ডিসেম্বর ২০২১ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চ্যুয়ালি যোগ দিয়ে এসব কথা বলেন।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, এই কার্যক্রমের  সুচনালগ্নে বঙ্গবন্ধুর সরাসরি নির্দেশনায় ১৯৭৪-৭৫ অর্থবছরে  জিওবি তহবিল থেকে ৪৩ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দিয়ে কার্যক্রম শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর বঙ্গবন্ধু প্রবর্তিত সুদমূক্ত ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমকে গুরুত্ব দিয়ে বরাদ্দ বৃদ্ধি করতে থাকেন।  ২০১১-২০১২ অর্থ বছর থেকে এ খাতে প্রতিবছরই নিয়মিত বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে। সুদমুক্ত ক্ষুদ্রঋণ (২০১১-১২ হতে ২০২০-২১) পর্যন্ত  বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৩৪০ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা। ১৯৭৪ সাল থেকে এ খাতে বরাদ্দের পরিমান ৫০৫ কোটি ২৮ লক্ষ ৬৬ হাজার টাকা বলে মন্ত্রী জানান।

এ ঋণ কর্মসূচির শুরু থেকে এ পর্যন্ত ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে ৩৩ লক্ষ ২৫ হাজার ৫১১টি পরিবারকে বিভিন্ন স্কিমের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করে তোলা হয়েছে।  বর্তমানে এ সুদমুক্ত ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমের আওতায় ৯ লক্ষ ৬৮ হাজার ২৭৬টি পরিবার সুদমূক্ত ক্ষুদ্রঋণের সুবিধা নিচ্ছেন। চলতি ২০২১-২০২২ অর্থ বছরেও ২৬ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে বলে মন্ত্রী আলেচনায় উল্লেখ করেন।

পরে মন্ত্রী সুদমুক্ত ক্ষুদ্রঋণ জাগরণী সপ্তাহ” ১৪-২১ ডিসেম্বর ২০২১ এর উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহফুজা আখতারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মোঃ আশরাফ আলী খান খসরু এমপি।  অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সমাজসেবা অধিদফতরের মহাপরিচালক শেখ রফিকুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ ঋণটি ধারাবাহিকভাবে যাতে সবাই পায় বঙ্গবন্ধু সে ব্যবস্থা করেছিলেন। তিনি কৃষিতে সমবায় পদ্ধতি চালু ও গ্রামীণ এলাকায় গভীর নলকূপ স্থাপন করেছিলেন।

বাংলাটিভি/শহীদ

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button