বাংলাদেশঅনুষ্ঠানসরকার

শেষ মূহুর্তের ব্যবস্থায় প্রতিমা শিল্পীরা

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় এই উৎসবে প্রধান অনুষঙ্গ দেবী দুর্গার প্রতিমা। যাকে বধের জন্য দুর্গা দেবীর আগমন। এছাড়াও লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক, গণেশ এবং দেবী দুর্গার বাহন সিংহের প্রতিমাও তৈরি করছেন শিল্পীরা। এছাড়াও তৈরি হচ্ছে দেবী লক্ষ্মী, সরস্বতী, দেবতা কার্তিক, গণেশের বাহন পেঁচা, হাঁস, ইঁদুর আর ময়ূরও।

মন্ডপ তৈরির শিল্পীরা বলেন,এটা যে শুধু জীবিকা এমন না– মাকে সাজিয়ে তোলার মধ্য দিয়ে আমরা তার প্রতি ভক্তি ও ভালোবাসা প্রকাশ করি।দেবীকে সুন্দর করে সাজিয়ে তুলতে পারলেই কাজ করে নিজের মধ্যে শান্তি পাবো।’

পুরান ঢাকার শাঁখারীবাজার, তাঁতিবাজার, লক্ষ্মীবাজার, কলতাবাজার, বাংলাবাজার, শ্যামবাজার, পাটুয়াটুলি, প্যারি দাস রোড, মুরগিটোলা, মদনমোহন দাস লেন, গোয়ারনগর, গেন্ডারিয়া, ডালপট্টি এলাকার গলিগুলো ঘুরে দেখা যায়, সবখানেই উৎসবের ছোঁয়া লেগেছে। প্রতিমা তৈরিতে কারিগরদের ব্যস্ততা ছাড়াও মণ্ডপের মঞ্চ, তোরণ নির্মাণের কাজ চলছে।সকাল থেকেই প্রতিমা দেখতে মণ্ডপে ভিড় করছেন দর্শনার্থীরা।

এ বছর পুরান ঢাকায় নবকল্লোল পূজা কমিটি, শ্রীশ্রী শিব মন্দির, প্রতিদ্বন্দ্বী ক্লাব, সংঘমিত্র পূজা কমিটি, শ্রীশ্রী রাধা মাধব জিউ দেব মন্দির, নতুন কুঁড়ি পূজা কমিটি, নববাণী পূজা কমিটি, রমাকান্ত নন্দীলেন পূজা কমিটিসহ আরও বেশ কিছু ক্লাব পূজা আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে। তবে শিবমন্দির, তাঁতি বাজার, গোয়ালনগর ঘাট, জুলন বাড়িতে বড় পূজার আয়োজন করা হচ্ছে।

সার্বিক বিষয়ে মহানগর সার্বজনীন পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক রমেন মণ্ডল বলেন, ‘পুরান ঢাকায় সবচেয়ে বেশি মণ্ডপে পূজার আয়োজন হয় সব সময়। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। শুধু ঢাকার দক্ষিণেই পূজা হবে ১৫১টি। এবার নতুন করে তিনটি পূজা বেড়েছে। শিল্পীরা শেষ মুহূর্তের কাজ করছেন।

বাংলাটিভি/শহীদ

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button