
গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে সকল দেশপ্রেমিক জনগণকে নিয়ে যুগপৎ আন্দোলন করবে বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আজ দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে নাগরিক ঐক্য আয়োজিত ‘যুগপৎ আন্দোলন ও রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক রূপান্তর’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের ‘বডি কেমিস্ট্রিতে’ দুটো জিনিস। একটা হচ্ছে পুরোপুরিভাবে সন্ত্রাস, আর একটা হচ্ছে চৌর্যবৃত্তি-চুরি। যখনই তারা সুযোগ পায় এই দুটো জিনিসের বাইরে তারা যেতে পারে না। যার ফলে তারা গত ১৫ বছরে দেশটাকে পুরোপুরি একটা সন্ত্রাসী দেশে পরিণত করেছে। তারা দেশকে তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি মনে করেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, আজকের প্রধান সংকট একটা রাজনৈতিক দল যারা নিজেদেরকে স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতৃত্বদানকারী দল মনে করে। এদেশটাকে তারা তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি বলেও মনে করে। সেই দল আজকে এই রাষ্ট্রের সমস্ত কর্তৃত্ব নিজেদের হাতে গ্রহণ করেছে। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় জনগণের যে আশা-আকাঙ্খা ছিল যেটাকে তারা স্বাধীনতার চেতনা বলে। সেই চেতনাকে সম্পূর্ণভাবে ধুলিস্যাত করে দিয়ে তাদের যে অপকর্ম, নিজেদের বিত্ত-সম্পদ তৈরি করা, ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করা, এই কাজগুলোকে পাকাপোক্ত করার চেষ্টা করছে।
তিনি বলেন, অন্যদিকে চুরি বললে কম বলা হয়, এটাকে পুরোপুরি লুটেরা দেশে পরিণত করেছে। মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ওই সময় বলেছিলেন, এখন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ না বলে এটার নাম রাখা উচিত নিখিল বাংলাদেশ লুটপাট সমিতি। শেখ মুজিবুর রহমান সাহেব নিজেও স্বীকার করেছেন যে, ‘আমি চারদিকে শুধু চাটার দল দেখতে পাচ্ছি। এত কম্বল আসলো আমার কম্বলটা কোথায় গেলো?’ এগুলো হালকা কথা, কিন্তু সত্য।
অনুষ্ঠানে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, এস এম আকরাম, আ স ম আব্দুর রব, সাইফুল হক, জোনায়েদ সাকি, রফিকুল ইসলাম বাবলু, হাসনাত কাইয়ূম, নুরুল হক নূরসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।



