
‘সুস্থ সবল জাতি চাই, পুষ্টিসম্মত নিরাপদ খাদ্যের বিকল্প নাই’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজ শনিবার (২ ফেব্রুয়ারি) সারা দেশে পালিত হচ্ছে জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস। জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস উপলক্ষে বিএফএসএ ঢাকায় দুই দিনব্যাপী নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।
৩-৪ ফেব্রুয়ারী খামারবাড়ি কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে সেমিনার ও নিরাপদ খাদ্য মেলায় মিডিয়া পার্টনার হিসেবে রয়েছে বাংলা টিভি। সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিরাপদ, স্বাস্থ্যসম্মত ও পুষ্টিকর খাদ্যের বিষয়ে সচেতন করে তোলার অংশ হিসেবে এই দিনকে জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশেষ বাণী দিয়েছেন।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ) জানিয়েছে, সংস্থার প্রতিষ্ঠার দিনটিকেই এই দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এখন থেকে প্রতিবছরই এই দিনটি পালন করা হবে। তারা আরো জানান সর্বসাধারণকে অবহিত করতে এবং নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, আমদানি, প্রক্রিয়াকরণ, মজুদ, সরবরাহ, বিপণন ও বিক্রয়সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করাই এ দিবসটি পালনের মূল উদ্দেশ্য। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশেষ বাণী দিয়েছেন।
রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেন, ‘পুষ্টিসম্মত নিরাপদ খাদ্য আমাদের সুস্বাস্থ্যের জন্য অতি প্রয়োজনীয় নিয়ামক। অনিরাপদ খাদ্য ক্যান্সার, কিডনি রোগ, বিকলাঙ্গতাসহ মারাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। এজন্য নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করা অত্যন্ত জরুরি।’
তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকার জনস্বাস্থ্যের উন্নয়ন, পুষ্টিকর খাদ্যপ্রাপ্তি নিশ্চিতকরণ, চিকিৎসা, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়নে ব্যাপক কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করছে। এ লক্ষ্যে জনসচেতনতা সৃষ্টির অংশ হিসেবে ২ ফেব্রুয়ারিকে ‘জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস’ ঘোষণা নিঃসন্দেহে একটি সময়োপযোগী পদক্ষেপ।’
অপরদিকে প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে বলেন, ‘সরকার দেশের জনগণের আর্থসামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টিকর খাদ্য ও নিরাপদ খাদ্যমান নিশ্চিত করার জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। দেশের খাদ্য চাহিদা পূরণের পাশাপাশি খাদ্য উৎপাদন, বিপণন ও সরবরাহে বিশেষ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য নানাবিধ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় আমরা ‘নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩’ প্রণয়ন এবং ২০১৫ সালে ‘বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ’ প্রতিষ্ঠা করেছি।’ তিনি বলেন, ‘৭ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা এবং টেকসই উন্নয়ন অভীষ্টে জনগণের নিরাপদ খাদ্যপ্রাপ্তির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমান সরকার এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।’
বাংলাটিভি/কায়েস



