দেশবাংলা

নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে আশুলিয়ায় অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে একটি ক্যামিকেল কারখানা

আশুলিয়ায় অবৈধ ভাবে গড়ে উঠেছে একটি ক্যামিকেলের কারখানা। অবৈধ ভাবে গড়ে ওঠা ওই কারখানায় প্রতিনিয়ত ঘটছে নানা দুর্ঘটনা । এমন ঝুঁকির মধ্যেও কারখানায় কাজ করছেন অনেক নিরীহ শ্রমিকরা। ওই কারখানার বিষাক্ত ধোয়ার কারনে এলাকাবাসী নানা রোগে ভুগছেন। এছাড়া কারখানার দুগন্ধে মসজিদে নামাজ পড়তে পারছে না মুসুল্লিরা। এলাকাবাসী অবিলম্বে ওই কারখানাটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সাভার উপজেলা প্রশাসনের প্রতি আহবান জানিয়েছে।

এলাকাবাসী জানায় আশুলিয়া ইউনিয়নের টঙ্গাবাড়ি এলাকায় নোবেল কেমিক্যাল নামের এই কারখানাটি অবস্থিত। এই কারখানায় অবৈধ ভাবে ট্যায়ারের তার মেশিনে পুড়িয়ে ফ্যারাস সালফ্রেড তৈরি করে বিভিন্ন গার্মেন্টস এ বিক্রি করে কতৃপক্ষ।  আয়রণ কেমিকেল ও পানি মিশিয়ে গর্তের মধ্যে ৪৮ ঘন্টা রেখে পানির ট্যাঙ্কির মধ্যে ফ্যারাস সালফ্রেড তৈরি করা হয়।ওই কারখানায় দুর্গন্ধে ওই এলাকার আশেপাশের লোকজন নানা রোগ ব্যতীতে ভুগছেন । মানুষের শরীরে চুলকানি এ্যাজমাসহ নানা রোগ হচ্ছে। নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে শিশুদের। এলাকাবাসী আরও জানায়, আশুলিয়ার টঙ্গাবাড়ি এলাকায় নোবেল কেমিক্যাল নামের একটি কারখানা গত দুই বছর আগে চালু করেন ঢাকার এম এ মতিন চৌধুরী,জোয়াদ্দার,ওবায়দুল ও আলামিন নামের চার ব্যক্তি। ওই কারখানায় শ্রমিক রয়েছে প্রায় ১৫ জন।

কারখানাটি টিনসেড। কারখানাটিতে অবৈধ ভাবে বিভিন্ন গাড়ির ট্যায়ারের তার পুড়িয়ে ফ্যারাস সালফ্রেড তৈরি করে বিভিন্ন গার্মেন্টস এর ইটিপির কাজে বিক্রি করেন মালিকপক্ষ। কারখানাটি ওই এলাকায় চালু করার ফলে ওই এলাকার স্থানীয়রা দুর্গন্ধে নানা রোগ ব্যতিতে ভুগছেন। শ্বাস প্রশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে শিশুদের। নিত্যদিন অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। মুসুল্লিরা মসজিদে ওই কারখানার  বিষাক্ত ধোয়ার কারনে নামাজ পড়তে পারছে না। এর কারনে এলাকায় কোন ফল গাছে ফল হচ্ছে না ও জমিতে কোন সবজি চাষ হচ্ছে না। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে এলাকাবাসী বললেও তারা কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন তারা। এছাড়া ক্ষোদ ওই কারখানার শ্রমিকরা নানা রোগে ভুগছেন হাতে ও পায়ে তাদের চর্ম রোগ ব্যধি হচ্ছে। এছাড়া কারখানাটির নেই কোন ট্রেড লাইন্সেস ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রসহ বৈধ কোন কাগজপত্র।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close