দেশে হতদরিদ্র থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী

ভবিষ্যতে দেশে হতদরিদ্র বলে কিছু থাকবে না জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনে জাতীয় কমিটি এবং বাস্তবায়ন কমিটির যৌথ সভায় তিনি এ কথা বলেন। এ সময় তৃনমূল পর্যায়েও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী পালনের আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেছে,গত ১০ বছরে হতদরিদ্রের হার ১১ ভাগে নামিয়ে দেশকে উন্নয়নের দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছি। বাংলাদেশকে এমন জায়গায় নিয়ে যাবো যাতে ভবিষ্যতে দেশে আর কোনও হতদরিদ্র না থাকে।
শেখ হাসিনা বলেন,বাংলাদেশের গ্রামে দারিদ্রে হাহাকার,থাকার জায়গা নেই,খাওয়া কিছু নেই এই কষ্টগুলো বাবাকে ব্যথিত করতো এবং সে কারনে জীবনের সবকিছু ত্যাগ করে বাংলাদেশের মানুষের জন্য কষ্ট স্বীকার করে গেছেন। তাঁর কষ্টের কারণেই আমরা স্বাধীন রাষ্ট্রের জাতি হিসেবে মর্যাদা পেয়েছি।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন,দারিদ্রের হার কমিয়ে এনেছি এক সময় বাংলাদেশে হত দরিদ্র বলে কিছু থাকবে না। বাংলাদেশ একটি মর্যাদাশীল রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। এরই মধ্যে জিডিপি’র প্রবৃদ্ধি ৮ দশমিক এক ও তিন শতাংশ হয়েছে এবং মাথাপিছু আয় বেড়ে ১হাজার ৯শ ৯ ডলার হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন,’২০২০ সালে বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষ্যে ১০২ সদস্যের ১টি জাতীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রয়োজনে কমিটির সংখ্যা বাড়ানো হবে এবং কাজের সুবিধার্থে ১টি উপ কমিটিও করে দেয়া হবে। এই আয়োজন তৃণমূল পর্যায়ে উদযাপন করা হবে, যাতে করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশের মানুষ উদ্বুদ্ধ হতে পারে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বাংলাদেশকে রাজনৈতিক স্বাধীনতা দিয়েছেন এবং অর্থনৈতিক মুক্তির পথ দেখিয়েছেন। যদি ১৫ আগস্টের ঘটনা না ঘটতো তাহলে বাংলাদেশ অনেক আগেই উন্নত জাতি হিসেবে মর্যাদা পেত। প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করে বলেন,মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও ইতিহাস বারবার বিকৃতি করা হয়েছে সেখান থেকে ফিরে আনার চেষ্টা করে যাচ্ছেন তিনি।
বাংলাটিভি/ফাতেমা



