
সাম্প্রতিক সময়ে নানা কারণে সমালোচিত-আলোচিত হচ্ছেন বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন।
গত ১৮ সেপ্টেম্বর ক্যাসিনো ও দুর্নীতিবিরোধী অভিযান শুরু হলে ক্যাসিনো ও টেন্ডারবাজিতে জড়িত যুবলীগের কয়েকজন নেতাকে গ্রেফতারের পর বেশ কয়েকজন এমপি ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতার সম্পৃক্ততার কথা ওঠে আসে। এদের মধ্যে রাশেদ খান মেননের নামও এসেছে বারবার।
ঢাকা দক্ষিণের বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতা ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট আটকের পর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে রাশেদ খান মেননের বিরুদ্ধে ক্যাসিনোর টাকার ভাগ নেয়ার অভিযোগ করেছেন।
সম্রাট বলেছেন, প্রতি মাসে সম্রাটের কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা চাঁদা নিতেন মেনন। এমনকি প্রতি মাসে নিয়মিত মাসোহারা না পেলে তিনি অকথ্য ভাষায় যুবলীগের নেতাদের গালিগালাজ করতেন।
এছাড়াও ইয়ংমেনস ক্লাব থেকে র্যাবের উদ্ধার করা চাঁদাবাজির খাতায় ৫নং সিরিয়ালে মেননের নাম রয়েছে।
দুদক সূত্রে জানা যায়, এখন পর্যন্ত ৪৩ জনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছেন তারা। গত ৩০ সেপ্টেম্বর ক্যাসিনো ব্যবসায়ীদের সম্পদ ও অর্থ পাচারের বিষয়ে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়ে কাজ শুরু করে দুদক।
নূর / বাংলা টিভি



