অপরাধবাংলাদেশ

সরকারের দেয়া প্রণোদনা বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ

ইলিশ ধরা ও বিক্রয়কারীর বিরুদ্ধে জারি করা নিষেধাজ্ঞা কার্যকরে সতর্ক অবস্থায় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। তারা নিয়মিত নজরদারির পাশাপাশি অভিযানও চালাচ্ছে। তারপরও তাদের চোখ এড়িয়ে কোন কোন এলাকায় ধরা হয়েছে ইলিশ।

আবার অভিযোগ উঠেছে, মাছ ধরা বন্ধ রাখতে সরকারের কাছ থেকে যে সহায়তা ও প্রণোদনা দেয়া হচ্ছে তার পরিমাণ খুবই কম, তারপরও তা বিতরণেও আছে অনিয়ম, পক্ষপাতিত্ব ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ।

৯ থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশ আহরণ, মজুদ, বাজারজাতকরণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। বরগুনার পাথরঘাটায় দেশের অন্যতম মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে পাইকার আড়ৎদাররা কাটাচ্ছেন অলস সময়। তাদের জন্য মাথাপিছু ২০ কেজি করে চাল দিচ্ছে সরকার। অবশ্য তা নিয়ে রয়েছে নানা অভিযোগ।

মা ইলিশ রক্ষায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর অবস্থানের কথা জানান, উপজলো মৎস্য কর্মকর্তা, আর নিষেধাজ্ঞা ভাঙলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানালেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

এদিকে, পাবনার বেড়া উপজেলার বৃশালিকা ঘাট থেকে নগরবাড়ি ফেরিঘাট পর্যন্ত মৎস বিভাগ অভিযানে অবৈধ কারেন্ট জাল, জাটকা ইলিশসহ আটক করা হয় জেলেদের, তা সত্ত্বেও থামছে ইলিশ নিধন। এ নিয়ে স্থানীয় জেলেদের রয়েছে নানা অভিযোগ

মাছ ধরার ওপর জারি করা নিষেধাজ্ঞা শেষদিন পর্যন্ত অব্যাহত রাখার কথা জানালেন কর্মকর্তারা।

অন্যদিকে, মুন্সীগঞ্জে পদ্মা নদীতে দিনে ও রাতে শিকার করা হচ্ছে নিষিদ্ধ মা ইলিশ। নদী  তীরবর্তী গ্রাম আর আশপাশের উপজেলায় বিক্রি হচ্ছে এসব মাছ।

কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার পরও অনেকে মাছ ধরছে, স্বীকার করলেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো: জিল্লুর রহমান। তবে ইলিশ রক্ষায় আইনের কড়াকড়ির পাশাপাশি সহায়তার পরিমাণ বাড়ানোর ওপর জোর দিলেন তিনি।

মাসুদ রানা / বাংলা টিভি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button