
সড়কে দুর্ঘটনার মিছিল কমিয়ে পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফেরানোর লক্ষ্যে সড়ক পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের আপত্তির মুখে শুক্রবার থেকে কার্যকর হয়েছে সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮।
আইন অনুযায়ী বেপরোয়া ও অবহেলাজনিত গাড়ি চালানোর কারণে দুর্ঘটনায় কেউ আহত বা নিহত হলে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড বা পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। তবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হত্যা করলে বা চালকের ইচ্ছাকৃত দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ক্ষেত্রে ৩০২ ধারা অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।
আইনে বলা হয়েছে অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের ক্ষেত্রে বয়স হতে হবে ন্যূনতম ১৮ বছর, পেশাদারদের ক্ষেত্রে ২০ বছর। চালকের শিক্ষাগত যোগ্যতা হতে হবে কমপক্ষে অষ্টম শ্রেণি পাস। এছাড়া, কারও ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকলে তাকে চালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া যাবে না।
অন্যদিকে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, শুধু শাস্তির ভয় দেখিয়ে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব না।
শ্রমিকদের দাবি, সড়ক পরিবহন আইনে সব ধারা জামিনযোগ্য করতে হবে। সড়ক দুর্ঘটনায় শ্রমিকের অর্থদণ্ড পাঁচ লাখ টাকার বিধান বাতিল করতে হবে। ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে শিক্ষাগত যোগ্যতা অষ্টম শ্রেণির বদলে করতে হবে পঞ্চম শ্রেণি।



