নাসিরনগরের ঘটনায় এখনো চার্জশীট দিতে পারেনি পুলিশ

২০১৬ সালের ৩০ অক্টোবর ফেসবুকে প্রচারিত একটি ছবিকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে ১৫টি মন্দির, বাড়ি ঘর ভাংচুর, লুট করা হয়। ঘটনার ৩ বছরেও দায়ের হওয়া আটটি মামলার মধ্যে সাতটিরই চার্জশীট দিতে পারেনি পুলিশ।
এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতরা এখনও বিচারের আওতায় না আসায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ।
সেদিন রসরাজ দাসের ফেসবুক আইডি থেকে পবিত্র কাবা শরীফ অবমাননার একটি ছবি পোস্ট করাকে কেন্দ্র করে প্রতিবাদ সমাবেশ হয়। এ সমাবেশ থেকে উস্কানিমূলক বক্তব্য দেয়ার পরই, নাসিরনগর উপজেলা সদরের আটটি হিন্দুপাড়ায় তান্ডবলীলা চালানো হয়।
এতে হিন্দুপাড়ার অন্তত শতাধিক বাড়িঘর ও ১৫টি মন্দির ভাংচুর করা হয়। ঘটনার তিন বছরে সেখানকার দৃশ্যপট পাল্টে গেলেও, মানুষের মন থেকে সেই বিভীষিকাময় ঘটনার দাগ মুছে যায়নি।
এদিকে ভূক্তভোগী রসরাজ দাসের আইনজীবী মো.নাসির মিয়া জানান, তিনবছর অতিক্রান্ত হলেও এ ঘটনার বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়নি।
নাসিরনগরে হামলা ঘটনার তদন্ত কার্যক্রম শেষ জানিয়ে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো.আলমগীর হোসাইন বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের ভিডিও ফুটেজে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। যাতে আদালতে সঠিক তথ্য প্রমান উপস্থাপন করা যায়।
ক্ষমতাসীন দলসহ বিভিন্ন ইসলামিক সংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে হামলায় অংশ নেয়ার অভিযোগ ওঠে৷ কিন্তু এ হামলার দ্রুত বিচারের আশ্বাস দেয়া হলেও, তিন বছরে আটটি মামলা দেখেনি আলোর মুখ ৷
আল আমীন শাহীন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া



