দেশবাংলা

মৌলভীবাজারে জমজমাট অবৈধ হুন্ডি ব্যবসা

প্রবাসী অধ্যুষিত মৌলভীবাজারে অবৈধ হুন্ডি ব্যবসা জমে উঠেছে। সরকার অনুমোদিত একটি বৈদেশিক মানি এক্সচেঞ্জ থাকলেও, শহরজুড়ে অন্য ব্যবসার আঁড়ালে চলছে হুন্ডি ব্যবসা।

অবৈধ হুন্ডি ব্যবসায়ীরা বলছেন, পেটের দায়ে তারা এ ব্যবসা করছেন। পুলিশ বলছে, কারো বিরুদ্ধে হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাচারের অভিযোগ পেলে নেয়া হবে কঠোর ব্যবস্থা।

মৌলভীবাজারে ডাক্তারের চেম্বার, মোবাইল, টাইলস, কাপড় ও প্রসাধনীর দোকানসহ বিভিন্ন ব্যবসার আঁড়ালে গড়ে উঠেছে অবৈধ হুন্ডি ব্যবসা এবং বিদেশে টাকা পাচারের শক্তিশালী সিন্ডেকেট। সম্প্রতি একটি গোয়েন্দা রিপোর্টে উঠে আসে এমন তথ্য।

এ প্রতিবেদনের পর অনেকে আত্মগোপনের পাশাপাশি ছেড়েছেন দেশ। জেলার অনেক মানুষ বিভিন্ন দেশ থেকে টাকা পাঠান। ব্যাংকিং চ্যানেলে টাকা আসতে দেরি হওয়াসহ নানা ঝামেলা এড়াতে ঘরে বসে দ্রুত টাকা পেতে, হুন্ডি ব্যবসায়ীদের শরনাপন্ন হন তারা।

মৌলভীবাজার সোনালী ব্যাংক বৈদেশিক শাখা এলাকায় গড়ে ওঠা অবৈধ বৈদেশিক মানি এক্সচেঞ্জ ব্যবসায়ীরা সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে দোকান বন্ধ করে পালিয়ে যায়।

বেকারত্ব থেকে বাঁচতে অবৈধ হুন্ডি ব্যবসায়ী ও ডলার পাউন্ডের ব্যাবসা করছেন বলে জানান হুন্ডি ব্যবসায়ীরা। এদিকে, সৈয়দ মানি এক্সচেঞ্জ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও রয়েছে বিদেশে অবৈধ টাকা পাচারের অভিযোগ।

সরকার অনুমোদিত একমাত্র বৈদেশিক মানি এক্সচেঞ্জ সৈয়দ মানি এক্সচেঞ্জ এর মালিক সৈয়দ ফয়ছল আহমদ বলেন, ব্যাঙের ছাড়ার মত অবৈধ ব্যাবসা গড়ে ওঠায় লোকসানের পাশাপাশি সরকারকে নিয়মিত রাজস্ব দেয়া সম্ভব হয় না।

সোনালী ব্যাংক বৈদেশিক মৌলভীবাজার শাখা ব্যবস্থাপক শাহেদ আহমদ চৌধুরী বলছেন, সবধরনের মানি এক্সচেঞ্জ এর রিসিট বা কপি বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠানো হয়।

এদিকে, উপযুক্ত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান, মৌলভীবাজার মডেল থানা পুলিশের অফিসার ইনর্চাজ মো:আলমগীর হোসেন।

সরকারের তালিকাভূক্ত অবৈধ হুন্ডি ব্যবসায়ী ও বিদেশে টাকা পাচারকারীরা রাতারাতি হয়ে ওঠেন আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ।সরকার খুব দ্রুত এদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেবে এমন প্রত্যাশা জেলাবাসীর।

আলী হোসেন রাজন, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button