দেশবাংলা

২ লাখ ৮৯ হাজার হেক্টর ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের তাণ্ডব

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের তাণ্ডবে ঘরবাড়ি, গাছপালা ছাড়াও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে উপকূলীয় জেলাগুলোতে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, উপকূলীয় ১৩ জেলায় রোপা আমনসহ ১৮টি ফসলের ২ লাখ ৮৯ হাজার হেক্টর জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

আর বুলবুলের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটে। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে উপকূলী এলাকার মানুষ।

চাঁদপুর সদর ও হাইমচর উপজেলার চরাঞ্চলে ঘুর্ণিঝড় বুলবুলের আঘাতে ৫শতাধিক কাঁচা ঘর বিধ্বস্থ হয়েছে। এছাড়াও মেঘনার পূর্ব পাড়ে সদর ও হাইমচর এলাকায় প্রায় ২ হাজার গাছ ভেঙে উপড়ে পড়েছে।

ঘরবাড়ি সরাতে গিয়ে কমপক্ষে ২০জন আহত হয়। বর্তমানে এসব পরিবারগুলো খোলা আকাশের নীচে মানবেতর জীবন যাপন করছেন।

ঘুর্ণিঝড় “বুলবুল” এর তান্ডবে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে সুন্দরবন ও তৎসংলগ্ন সাতক্ষীরা উপকূলের জনপদ। উপকূলবর্তী শ্যামনগর, আশাশুনি, কালিগঞ্জ উপজেলায় অসংখ্য কাঁচা ঘরবাড়ি ধ্বসে পড়েছে। উপড়ে পড়েছে হাজার হাজার ছোট বড় গাছ।

আশ্রয় কেন্দ্রগুলো থেকে মানুষ বাড়িতে ফিরেছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় মানুষের জীবনযাত্রা স্বাভাবিক করতে স্থানীয় প্রশাসন, সেনা বাহিনী, নৌ-বাহিনী, কোষ্টগার্ড, পুলিশসহ বেসরকারি সংগঠনগুলো কাজ করছে।

মানুষের জীবনযাত্রা স্বাভাবিক করতে স্থানীয় প্রশাসনের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও কাজ করছে।

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে মোংলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘর-বাড়ী বিধস্ত হয়েছে প্রায় দেড় হাজার আর মৎস্য ঘের তলিয়ে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কোটি টাকা। নষ্ট হয়েছে রাস্তা ঘাটও। এখনো বিদ্যুৎ সরবারহ বন্ধ রয়েছে অধিকাংশ এলাকায়।

ক্ষতিগ্রস্থরা বলছেন, দ্রুত সরকারী সহায়তা না পেলে মানবেতর জীবনযাপন করতে হবে তাদের। এদিকে, দূর্যোগ কেটে যাওয়ায় আজ সকাল থেকেই মোংলা বন্দরে অবস্থানরত ১৪ টি বাণিজ্যিক জাহাজে পন্য ওঠানামার কাজ শুরু হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট,  বাংলা টিভি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button