সমালোচনার মুখে অভিযুক্ত তিন রাজাকার পুত্র

সিলেটে অভিযুক্ত তিন রাজাকার পুত্র ব্যাপক আলোচনায় রয়েছেন। রাজাকারদের তালিকা বের করেছে রনাঙ্গন ৭১ বই। এরপর থেকে এই তিনজনকে নিয়ে নানা সমালোচনা চলছে।
আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে রাজাকারের ছেলেরা ঢুকে পড়ায় ক্ষুব্ধ মুক্তিযোদ্ধারা। এছাড়াও তাদের কারো বিরুদ্ধে দুর্নীতিরও মামলা রয়েছে। ‘রণাঙ্গণ ৭১’ বইয়ের তথ্য অনুসারে রাজাকারের ছেলে লিয়াকত আলী, গোলাম কিবরিয়া হেলাল ও মস্তাক আহমদ পলাশ।
তালিকার একজন রাজাকার ওয়াজি আলী টেনাই। তাঁর ছেলে লিয়াকত আলী। তিনি জেন্তাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। জৈন্তাপুরে গিয়ে পাওয়া গেল, লিয়াকত আলীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ।
তবে, লিয়াকত আলী এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
কানাইঘাট থানার রাজাকার ছিলেন আব্দুল মন্নান। তার ছেলে মস্তাক আহমদ পলাশ। তিনি সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক। পলাশ দাবি করেন, তার বাবা রাজাকার নন।
তালিকা অনুযায়ী, গোয়াইনঘাটের রাজাকার ছিলেন আজির উদ্দিন চৌধুরী। গোয়াইন নদীর পারে আজির উদ্দিনের বাড়ি। এই বাড়িতে পাকিস্তানিরা ক্যাম্প করেছিলো। আজির উদ্দিনের ছেলে গোলাম কিবরিয়া হেলাল। তিনি এই উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।
গোলাম কিবরিয়া হেলালও জানালেন, তার বাবা রাজাকার ছিলেন না।
এদিকে, শুদ্ধি অভিযানের অংশ হিসেবে আওয়ামী লীগকে রাজাকারমুক্ত করার দাবি জানালেন রণাঙ্গণ-৭১ বইয়ের সম্পাদক সুব্রত চক্রবর্তী জুয়েল।
সিলেটের আওয়ামী লীগকে আবার নতুন করে সাজানো হবে, এমনটাই প্রত্যাশা এখন সকলের।
কাইয়ুম উল্লাস, বাংলা টিভি, সিলেট



