পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত কুয়াকাটা সৈকত

অনুকূল আবহাওয়া আর উন্নত সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থায় পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে সূর্যোদয় আর সূর্যাস্তের বেলাভূমি সমুদ্র সৈকত, কুয়াকাটা। ফলে, শ্রীহীন কুয়াকাটা ফিরে পেয়েছে তার হারানো জৌলুস।
দৃষ্টিনন্দন সৈকতের দীর্ঘ বেলাভূমি, সুর্যদয় আর সুর্যাস্তের বিরল দৃশ্য দেখে মুগ্ধ পর্যটকরা। পুরো সৈকতজুড়ে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ।
এশিয়ার একমাত্র সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটা, যেখানে একই স্থানে দাঁড়িয়ে সুর্য্যদয় আর সুর্যাস্তের বিরল দৃশ্য অবলোকন করা যায়। ফলে, সারাবছরই কমবেশি পর্যটকের আনাগোনা থাকে এখানে। কিন্তু এবার তার ব্যাতিক্রম। বৃষ্টি ভেজা বৈরি আবহাওয়ার মাঝেও, দেশী-বিদেশি পর্যটকরা আসায়, আনন্দপুরিতে পরিনত হয়ে, প্রাণ ফিরে পেয়েছে সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটা।
ভ্রমণ পিপাসু পর্যটকদের উন্মাদনায় পুরো সৈকতে এখন, আনন্দময় পরিবেশ বিরাজ করছে। নানা বয়সি পর্যটকের আগমনে রাখাইন মার্কেট, ঝিনুকের দোকান, খাবার দোকানসহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে, কেনাকাটার ধুম পড়েছে। আগত পর্যটকরা অপার সম্ভাবনাময় কুয়াকাটায় এসে মুগ্ধ। পাশাপাশি এ পর্যটন কেন্দ্রকে আরো আকর্ষনীয় করার দাবি তাদের।
পর্যটকদের আগমনে হোটেল-মোটেলগুলো আগাম বুকিং রয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দেয়ার কথা জানান, আবাসিক হোটেল মোটেল মালিক সমিতির সভাপতি আবদুল মোতালেব।
পর্যটকদের নিরাপত্তায় ট্যুরিষ্ট পুলিশ সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানিয়েছে, কুয়াকাটা ট্যুরিষ্ট পুলিশ ষ্টেশন ।
কুয়াকাটা সমূদ্র সৈকতসহ পর্যটন এলাকাকে পরিকল্পিতভাবে সাজানো হলে, আগামী দিনে পর্যটকের সংখ্যা আরো বাড়বে, সরকারও বিপুল পরিমাণ রাজস্ব পাবে বলে মনে করছেন, এ খাতের সংশ্লিষ্টরা।
সৈয়দ হুমায়ুন কবির, পটুয়াখালী প্রতিনিধি



