মাঠে বসে খেলা দেখছেন প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী

ঐতিহাসিক গোলাপী বলের টেস্ট উদ্বোধন করলেন, বাংলাদেশের প্রধানন্ত্রী শেখ হাসিনা। কলকাতার ইডেন গার্ডেনে ঘন্টা বাজিয়ে ম্যাচের সূচনা করেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন। সঙ্গে ছিলেন ২০০০ সালে বাংলাদেশের টেস্ট খেলুড়ে ক্রিকেটাররাও।
টেস্টে ক্রিকেটের নন্দনকাননে গোলাপী বলের টেস্ট বলে কথা। তাও আবারো দুই বাংলার ম্যাচ। কলকাতাকে বলা হয় ‘দ্য সিটি অব জয়’, আর সেখানেই মিলনমেলায় পরিণত হয়ে উঠলো কলাকাতার ইডেন গার্ডেন। শহরটা যে গোলাপি-নগরীতে পরিণত হয়েছে, সেই আভাস আগেই ছিলো।
শুক্রবার সকাল থেকে সেটাই দৃশ্যমান হলো। শহরজুড়ে সব রাস্তার গন্তব্য থাকল একটাই। শুধু গঙ্গাপারের ক্রিকেটপ্রেমীরাই নন, হাজারে হাজারে দেখা গেল পদ্মাপারের ক্রিকেটপ্রেমীও। বাংলাদেশের জার্সি গায়ে, হাতে বাজনা নিয়ে বাউলদেরও দেখা গেল ইডেনে। গায়ে ডোরাকাটা বাঘ আঁকা সমর্থকরাও আছেন গ্যালারিতে।
২০০০ সালে বাংলাদেশের অভিষেক টেস্টে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে উপস্থিত ছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ১৯ বছর পর টাইগারদের আরো একটি ঐতিহাসিক ম্যাচের উদ্ধোধনটাও হলো তার হাত ধরে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তিনি ইডেনে ঘণ্টা বাজিয়ে খেলা শুরুর ঘোষণা দেন।
মাঠে ছিলেন অভিষেক টেস্ট খেলা বাংলাদেশের অধিনায়ক নাঈমুর রহমানসহ দলে থাকা আকরাম খান, হাবিবুল বাশার, মেহরাব হোসেন অপি, জাবেদ ওমর বেলিম, এনামুল হক মনিরা। আর ভারতীয় ক্রিকেটারদের লিজেন্ড শচীন টেন্ডুলকার, রাহুল দ্রাবিড়, অনিল কুম্বলে, ভিভিএস লক্ষ্মণ, সদাগোপান রমেশ, সাবা করিম, সুনীল যোশী, ভেঙ্কটেশ প্রসাদ, কপিল দেব, মহম্মদ আজহারউদ্দিনের মতো বিখ্যাতসব ক্রিকেটাররা।
আকাশ থেকে প্যারাট্রুপারদের মাঠে নামার কথা থাকলেও, শেষ মুহূর্তে নিরাপত্তার কারণে তা বাতিল করে ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গল।
উভয় দলের এটি প্রথম গোলাপী বলে খেলায় অভিজ্ঞতা হলেও, সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট এটি। প্রথম ম্যাচে সফরকারীরা হারায় সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে রয়েছে ভারত। দ্বিতীয় ম্যাচে টস জিতে ব্যাট করছে মুমিনুল হকের দল। একাদশে ফিরেছেন পেসার আল-আমিন হোসেন এবং নাইম হাসান।
মোহাম্মদ হাসিব, বাংলা টিভি



