দেশবাংলা

ঐতিহাসিক স্থানগুলো সংরক্ষণের দাবি মুক্তিযোদ্ধাদের

১৯৭১ সালের ৮ ডিসেম্বর পাক হানাদার মুক্ত হয় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল। মুক্তি বাহিনী ও ভারতীয় মিত্রবাহিনীর যৌথ অভিযানে পাক হানাদার বাহিনীরা পালিয়ে যায়। মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে মুক্তির স্বাদ পায় বাঙ্গালি জনতা। আর বাংলার ঘরে ঘরে উড়েছিল লাল সবুজের বিজয় পতাকা।

এদিকে, ঐতিহাসিক স্থানগুলো সংরক্ষণের দাবি, সাধারণ মানুষ, মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের।

৭ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় মুক্তিবাহিনীর সাথে মিত্রবাহিনীর ১১ গুর্খা রেজিমেন্ট কুমিল্লার গোমতী নদী পার হয়ে কটক বাজার এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। মিত্রবাহিনীর অপর দুটি অংশ ভাট পাড়া ও চৌদ্দগ্রাম দিয়ে কুমিল্লায় প্রবেশ করে। তাদের যৌথ আক্রমণে বিমানবন্দর এলাকা থেকে পাক বাহিনী পালিয়ে যায়।

মুক্তিযুদ্ধে পাক বাহিনীর ব্যবহৃত বাংকার এখনো কুমিল্লা বিমান বন্দরে রয়েছে। এ বাংকার থেকেই মুক্তিবাহিনীর ওপর মেশিনগানের আক্রমন করে হানাদাররা। এসব ঐতিহাসিক স্থানগুলো সংরক্ষণের দাবি মুক্তিযোদ্ধাদের।

১৯৭১ সালের এই দিনে পিরোজপুর পাক হানাদার,রাজাকার ও আলবদর মুক্ত হয়। আর ঘরে ঘরে উড়েছিল লাল সবুজের বিজয় পতাকা। যুদ্ধের সময় পিরোজপুর ছিল মুক্তিযুদ্ধের নবম সেক্টরের অধীন সুন্দরবন সাব-সেক্টর মেজর জিয়াউদ্দিনের কমান্ডের আওতায়।

অপরদিকে, মৌলভীবাজার পুরোপুরি হানাদারমুক্ত হয় এই দিনে। পাক হানাদারদের পরাজিত করে জেলার সর্বত্র স্বাধীন বাংলাদেশের লাল সবুজ পতাকা উড়তে থাকে। এ জেলার একমাত্র ব্যাংকার ও বধ্যভূমি,তালিকাভুক্ত গণকবরের স্থানগুলো সংস্কার ও সংরক্ষনের দাবি মুক্তিযোদ্ধা ও স্থানীয়দের।

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ, মতলব দক্ষিণ উপজেলা মুক্ত হওয়ার পর,এদিনে চাঁদপুরসহ অন্যান্য উপজেলা পাক হানাদার বাহিনীর কবল থেকে মুক্ত হয়। সদর মডেল থানার সামনে এদিন বিএলএফ বাহিনীর প্রধান মরহুম রবিউল আউয়াল কিরণ, প্রথম চাঁদপুরে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেছিলেন।

ডেস্ক রিপোর্ট, বাংলা টিভি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button